বাগেরহাটের কচুয়ায় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে মিজান নামে এক জামায়াতকর্মীকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত মিজান বর্তমানে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কচুয়া উপজেলার ৬ নম্বর রাড়িপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিজান জানান, সকালে তিনি রাস্তা দিয়ে বাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। আঘাতের পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোনো বিরোধ ছিল না। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থেকেই তাঁদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত। তিনি জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় অভিযুক্তের ক্ষোভ ছিল বলে দাবি করেন মিজান।
এ ছাড়া বাড়ির সামনের একটি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগে বাধা দেওয়া এবং এলাকায় মাদক সেবনে আপত্তি জানানো নিয়েও তাঁর ওপর ক্ষোভ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। মিজানের দাবি, এসব বিরোধের জের ধরেই তাঁকে একা পেয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আল মামুনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।