October 31, 2026, 1:46 am
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

লামায় মো. আলী মিয়ার ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

মো. ইসমাইলুল করিম, বান্দরবান প্রতিনিধি

পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলার প্রতিষ্ঠাতা, সমাজসেবক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, লামা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও দৈনিক দেশের কথা পত্রিকার লামা উপজেলা প্রতিনিধি মো. তৈয়ব আলীর পিতা মরহুম মো. আলী মিয়ার ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার (২১ আগষ্ট)।

২০১০ সালের ২২ আগস্ট চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি ১৯২৩ সালের ১ জানুয়ারী নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ উপজেলাধীন দেবনগর গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন এক খন্দকার পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। ১৯৬২ সালের শেষ দিকে রামগড় মহকুমা প্রশাসক কর্তৃক মো. আলী মিয়ার নের্তৃত্বে ২শত পরিবারকে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে প্রেরন করেন।

এছাড়া তিনি ১৯৭৩-১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে তিনি বৃহত্তর লামা ইউনিয়ন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। ১৯৭৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি লামা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৬ সালে তিনি লামা -ফাঁসিয়াখালী সড়ক নির্মান কাজ, ১৯৭৯ সালে লামা থানাকে মহকুমায় রুপান্তর ও আশির দশকে লামায় বিদ্যুতায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।১৯৮৫ সালে তিনি প্রথম লামা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সেই সময় তিনি লামা উপজেলায় অসংখ্য স্কুল,কলেজ, মাদ্রাসা,পাঞ্জেগানা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান করে গেছেন। এ সব প্রতিষ্ঠানে জমি দাতাও তিনি। এ ছাড়াও তিনি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করণের লক্ষ্যে রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ,কালভার্ড,ক্লিনিক স্থাপন সহ অত্র উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন করে লামা উপজেলা কে আলোকিত করেন।

মৃত্যু কালে তিনি ৪ স্ত্রী,১০ ছেলে,১১ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। জীবদ্দশাতেইতিনি অভিহিত হয়েছিলেন মানবতার সেবক হিসেবে। আজ সেই মহান ব্যক্তির মৃত্যুবার্ষিকী।

সাধারণ মানুষ তাকে স্মরণ করবে শ্রদ্ধাবনত চিত্তে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকালে কবর জিয়ারত, বাদে এশা মো.তৈয়ব আলীর বাসভবনে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সকল আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও গুণগ্রাহীর কাছ থেকে দোয়া এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। এতে সকল’কে অংশ গ্রহন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ