October 30, 2026, 8:11 pm
শিরনাম :
কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর চুয়াডাঙ্গায় আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে যুবদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

ভারত-পাকিস্তান গোপনে বৈঠক করেছে

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চল ঘিরে উত্তেজনা কমাতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে গোপনে বৈঠক করেছে ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা দুবাইয়ে মিলিত হন। বৈঠকটি আয়োজনের পেছনে ভূমিকা রাখে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার। উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ কাশ্মীর অঞ্চলকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা কমানো।

২০১৯ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি কনভয়ে আত্মঘাতী হামলার পর দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। ওই হামলার জন্য পাকিস্তানভিত্তিক গোষ্ঠীকে দায়ী করে ভারত, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। একই বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাশ্মীরের বিশেষ স্বায়ত্তশাসন বাতিল করলে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও খারাপ হয়।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশ ‘ব্যাক-চ্যানেল’ কূটনীতির মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটি রূপরেখা তৈরির চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। যদিও এই প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিক কোনো শান্তি উদ্যোগ বলা হচ্ছে না; বরং এটি ‘পুনরায় সংলাপ শুরু’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কাশ্মীর দীর্ঘদিন ধরেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু। উভয় দেশই পুরো অঞ্চলটির দাবি করে, যদিও বাস্তবে তারা এর অংশবিশেষ নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (RAW) এবং পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) কর্মকর্তারা এই বৈঠকে অংশ নেন। যদিও এ বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, অতীতেও সংকটের সময় এ ধরনের গোপন বৈঠক হয়েছে, তবে সেগুলো কখনো প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশেরই উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজন রয়েছে। চীন–এর সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনায় জড়িত ভারত এবং অর্থনৈতিক চাপে থাকা পাকিস্তান—উভয়ের জন্যই স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ।

জানুয়ারির ওই বৈঠকের পর দুই দেশ নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর গোলাগুলি বন্ধে সম্মত হয়, যা এখনো কার্যকর রয়েছে বলে সামরিক সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি কাশ্মীরের দুই অংশেই নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও উঠে এসেছে।

তবে ৭৪ বছর ধরে চলা কাশ্মীর বিরোধের স্থায়ী সমাধানে এখনো কোনো বড় ধরনের অগ্রগতি হয়নি। আপাতত উভয় দেশ উত্তেজনা কমিয়ে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আলোচনার পথ তৈরি করতেই মনোযোগ দিচ্ছে।

 

 

 

সূত্র: আল-জাজিরা

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ