October 30, 2026, 9:05 pm
শিরনাম :
কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর চুয়াডাঙ্গায় আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে যুবদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

বৈচিত্র্যকে সম্মান জানালেই টিকে থাকবে শান্তি ও সম্প্রীতি: সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উৎসব ২৬

সৈয়দ জালিস মাহমুদ। বার্তা সম্পাদক

  • জাতি, বর্ণ ও ধর্ম নির্বিশেষে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশের হাজার বছরের বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্যই সবচেয়ে বড় শক্তি—এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন বক্তারা। এই বৈচিত্র্যকে উদযাপন করতে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উৎসব ২০২৬’।

রাজধানীর মিরপুরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই উৎসবের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে স্বাগত বক্তব্যে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হতে পারে—একে অপরের সংস্কৃতি, জীবনাচার ও পার্থক্য সম্পর্কে জানা এবং পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শন।” সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে বোঝা ও সম্মান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর পক্ষে ফাতেমা মাহমুদা, ডক্টর নাজমুন্নাহার, মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, রাজু জবেদ, রিজভি আহমেদ।

বক্তারা বলেন সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানোর মাধ্যমে সমাজের মনের অন্ধকার দূর করা সম্ভব।
সাম্প্রতিক সময়ে বাউলদের চুল কেটে দেওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মেঘনা গুহঠাকুরতা বলেন, “মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
সহিংসতা বা অপমান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”
উৎসবের দ্বিতীয় পর্বে ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মনোমুগ্ধকর মানব পুতুল নাচ,খুলনার জারি গান ও পট গান, ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী গীতিকা, পার্বত্য অঞ্চলের রাখাইন নৃত্য, বাংলার আট কবির গান, নওগাঁর আদিবাসী সম্প্রদায়ের কারাম নৃত্য, গারো নৃত্য, নাটক, আবৃত্তিসহ একক ও দলীয় নৃত্য পরিবেশিত হয়।
বৈচিত্র্যময় এই পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দর্শকরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য চিত্র উপভোগ করেন।

একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে সংঘাত পরিহার করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার বার্তাও তুলে ধরা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ