October 30, 2026, 9:52 pm
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

আমি কনে যাব, মরলিও কবর খড়ার জায়গাও নাই আমার

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার কয়রা উপজেলার জয়পুর গ্রাম, এলাকাটির শাঁকবাড়িয়া নদীর তীরে অবস্থিত। শেষ প্রান্তে কপোতাক্ষ নদী, আর ওপারে সাতক্ষীরা জেলা।

পৌষের দুপুরে শাঁকবাড়িয়া
নদীতীর–সংলগ্ন রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ নজর যায় একজন বৃদ্ধ মহিলার দিকে। মুখে ক্লান্তি আর দীর্ঘ জীবনের ভার। বয়স জানতে চাইলে হালিমা বেগম নামের ওই বৃদ্ধা একগাল হাসি ছড়িয়ে বলেন, ‘তা তো আর হিসাব কইরে রাখিনি, বাপু।

কথায় কথায় জানা গেল, একসময় স্বামী-সংসার সবই ছিল হালিমা বেগমের। তাঁর শ্বশুরবাড়ি ছিল কয়রা দোশালিয়া গ্রামে । স্বামী মজিবার নদীতে মাছ ধরতেন। সংসারে অভাব ছিল, তবে জীবন থেমে ছিল না। হঠাৎ একদিন ঝগড়া করে বাবার বাড়ি এসে ওঠে ।আর কখনো ফিরে যাওয়া হয়নি স্বামীর সংসারে। তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি কুড়িগড় বেঁধে থাকে হালিমা বেগম।

দীর্ঘশ্বাস লুকিয়ে হালিমা বেগম বলেন, ‘অনেক কষ্টে ছেলেকে বড় করেছিমা, কিন্তু ক্যান্সার হয়ে ছেলেও আমাকে ছেড়ে চলে জান,তার খবরটাও এখানে দিতে পারিনা।

সরকার বা কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাশে দাঁড়ালে হালিমা বেগম শেষ জীবনটা একটু ভালোভাবে কাটাতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ