October 30, 2026, 9:51 pm
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

প্রকাশ্যে ভূল্লী নদীর পাড় কেটে বিক্রি, হুমকির মুখে আবাদি জমি

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী নদীর পাড়ের মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করতেছে প্রভাবশালীরা। এতে চরম হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের আবাদি জমি ও ভূল্লী বাঁধ সেতু। এসব মাটি রাস্তার কাজে বিক্রি করা হচ্ছে চড়া দামে।

রবিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, ভূল্লী নদী বাঁধ সেতু থেকে ১০০-১৫০ গজ দূরে নদীপাড়ের মাটি কেটে তিনটি ট্রাক্টরে ভর্তি করা হচ্ছে।

তড়িঘড়ি করে মাটি গুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নদীর পূর্ব পাশে খোলা মাঠে। সেখানে মাটির স্তুপ করে বিক্রি করা হচ্ছে রাস্তার কাজেসহ বিভিন্ন স্থাপনার কাজের জন্য।

এ সময় ট্রাক্টর চালক শহিদুল বলেন, নূরে আলম নাম এক ছেলের নির্দেশে মাটি কাটা হচ্ছে। এসব মাটি রাস্তার যে কাজ চলতেছে সেখানে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ট্রাক্টর চালক শহিদুল বলেন এটা আমাদের অন্যায় হয়েছে।

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে (২০১০) বলা হয়েছে, বিক্রির উদ্দেশ্যে বালু বা মাটি উত্তোলনের ফলে কোনো নদীর তীর ভাঙনের শিকার হলে সে ক্ষেত্রে বালু বা মাটি তোলা যাবে না। অন্যদিকে, সেতু, কালভার্ট, বাঁধ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা অথবা আবাসিক এলাকা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ।

স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই স্থানে নদীর পাড় কেটে মাটি তোলা হলে সামান্য বন্যায় বাঁধের সেতু ও আশেপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়বে। এ ছাড়া আশপাশের আবাদি জমিতে নদীর পানি অনায়াসে ঢুকে ফসল নষ্ট হবে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, মাটি ভর্তি করে ট্রাক্টরগুলো দিন–রাত কাঁচা রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখন যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ‘নদীর বান্দন (বাঁধা) হওচে নদীর পাড়। সেই পাড় কাটিয়া রাস্তার কাজত বেচাওচে তা–ও কাঁয়ও কিছু কওছে না। আগামীবার বান (বন্যা) হইলে নদীর পানি যায়া জমিত ঢুকপে। তখন আবাদ নষ্ট হয়া যাইবে। হামার কপালোত দুঃখ আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘নদীর পাড় যারা কাটছে, খোঁজ নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খবর পাওয়ার সাথে সেখানে এসিল্যান্ডকে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি প্রভাবশালী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করতে হবে এবং আইনের আওতায় আনতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ