October 30, 2026, 9:50 pm
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

তুরস্কের প্রথম বিমানবাহী রণতরি সমুদ্রে নামছে

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

বিশ্ব রাজনীতি ও বৈশ্বিক প্রতিরক্ষার সমীকরণে তুরস্ক নিজেদের প্রযুক্তিতে তৈরি দেশটির প্রথম পূর্ণাঙ্গ ড্রোনবাহী রণতরি ‘মুগেম’ আগামী বছর সমুদ্রে নামানোর জোর প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২০২৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশাল ক্ষমতার এই রণতরি আনুষ্ঠানিকভাবে সাগরে ভাসবে বলে নিশ্চিত করেছেন তুরস্কের নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল এরজুমেন্ট তাতলিওগ্লু।

রবিবার (২৩ আগস্ট) তুরুস্কের কোকায়েলি প্রদেশের গলচুক নৌঘাঁটিতে আয়োজিত এক প্রদর্শনীতে তিনি জানান, নিজস্ব প্রযুক্তির এই রণতরি কেবল প্রথাগত যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি একই সঙ্গে মানববিহীন আকাশযান, আত্মঘাতী ও স্বয়ংক্রিয় নৌযান এবং ড্রোন সাবমেরিন পরিচালনার অনন্য এক সমন্বিত সক্ষমতা ধারণ করবে।

নৌ প্রধানের দাবি অনুযায়ী, সমুদ্রে মানববাহী ও ড্রোনভিত্তিক আকাশ-নৌযানের এমন সর্বাধুনিক মেলবন্ধন নিয়ে আকাশে ও জলে আধিপত্য বিস্তারকারী পৃথিবীর প্রথম দেশ হতে যাচ্ছে তুরস্ক।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, মুগেম রণতরিটিতে তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ৫২টি ‘কিজিলেলমা’ ড্রোন বা মানববিহীন যুদ্ধবিমান রাখা সম্ভব হবে। এ ছাড়া এই রণতরি থেকে উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারবে ‘হুরজেট’-এর নৌ সংস্করণ, ‘আনকা-৩’ এবং বহুল আলোচিত ‘টিবি-৩’ ড্রোন। রণতরিটিতে বিমান উড্ডয়নের সুবিধার্থে সামনের দিকে ১২ ডিগ্রি কোণে বিশেষ ধরনের ‘স্কি-জাম্প’ প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।

তুরস্কের শিল্প ও প্রযুক্তিমন্ত্রী মেহমেত ফাতিহ কাচিরের ভাষায়, মুগেমের আগমনের মধ্য দিয়ে দেশের নৌসীমা পাহারার পর্যায় পার করে তুরস্কের নৌবাহিনী এখন আন্তমহাদেশীয় শক্তি হিসেবে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে যাচ্ছে।

প্রায় ৬০ হাজার টন ওজনের এবং ২৮৫ মিটার দীর্ঘ এই দানবীয় যুদ্ধজাহাজে একসঙ্গে আড়াই হাজার সেনার অবস্থান ও চলাচলের বন্দোবস্ত থাকছে। জাহাজটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬ নট গতিতে ছুটতে পারবে এবং কোনো বিরতি ছাড়া এক টানা প্রায় ১০ হাজার নটিক্যাল মাইল সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘জেরাল্ড আর ফোর্ড’ বা যুক্তরাজ্যের ‘কুইন এলিজাবেথ’ শ্রেণির বিশাল রণতরিগুলোকে বৈশ্বিক শক্তিমত্তার প্রতীক ধরা হলেও ড্রোনপ্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে নিজস্ব মডেলে তৈরি এই ‘মুগেম’ সমুদ্রযুদ্ধের গতিপথ এক নতুন যুগে মোড় ঘুরিয়ে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ