October 30, 2026, 8:11 pm
শিরনাম :
কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর চুয়াডাঙ্গায় আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে যুবদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

বাবার শেষকৃত্য, ভিডিও কলে মেয়ের প্রশ্ন আর কতক্ষণ লাগবে?

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

ভারতের হরিয়ানার সোনিপতে একটি বৃদ্ধাশ্রমে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তবে শেষ বিদায়ে তিন মেয়ের কেউ উপস্থিত না থেকে ভিডিও কলেই বাবার শেষকৃত্য দেখেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মৃত ব্যক্তির নাম শিবচরণ রামরতন গুপ্ত। মুম্বাইয়ের সাবেক এই ব্যবসায়ী প্রায় দুই বছর ধরে সোনিপতের একটি বৃদ্ধাশ্রমে বসবাস করছিলেন। স্ত্রী মীনা গুপ্তও তার সঙ্গে সেখানে ছিলেন। তবে তিনি আগেই মারা যান।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে শিবচরণ গুপ্ত মারা যান। এরপর বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ তার তিন মেয়েকে বিষয়টি জানায়।

কর্তৃপক্ষের জানানোর পরও মেয়েরা কেউ সোনিপতে আসতে পারেননি। একজন ছিলেন নেপালে, একজন উত্তর প্রদেশে এবং আরেকজন মুম্বাইয়ে। তারা ভিডিও কলের মাধ্যমে বাবার শেষকৃত্যে অংশ নেন। পরে বৃদ্ধাশ্রমের কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তার দাহকার্য সম্পন্ন করা হয়।

বৃদ্ধাশ্রমের প্রশাসক আনন্দ কুমার জানান, শিবচরণ গুপ্ত আশ্রমে থাকা একটি মোবাইল ফোন দিয়ে নিয়মিত মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতেন। তবে অসুস্থ হওয়ার পর মেয়েদের ফোন আসা অনেক কমে যায়। তিনি বলেন, প্রায় ২০ দিন আগে মেয়েদেরকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু এরপরও তারা তাকে দেখতে আসেননি।

শিবচরণের মৃত্যুর পর আবারও মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়, চাইলে তারা সোনিপতে এসে শেষকৃত্যে অংশ নিতে পারেন। কিন্তু তারা সময়ের অভাবের কথা জানিয়ে আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

নেপালে বসবাসকারী এবং পেশায় শিক্ষক বড় মেয়ে অনিতা অনলাইনে ৫ হাজার ১০০ রুপি পাঠিয়ে বাবার শেষকৃত্য যথাযথভাবে সম্পন্ন করার অনুরোধ জানান।

শেষকৃত্য শেষে মেয়েরা বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষকে পুরো অনুষ্ঠানের ভিডিও পাঠানোর অনুরোধও করেন। ভিডিও কলে তাদের একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আর কতক্ষণ লাগবে? আমাদের খেতে হবে, তারপর গোসল করতে হবে।’

বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ জানায়, শিবচরণ গুপ্ত তার তিন মেয়েকেই উচ্চশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন বর্তমানে শিক্ষকতা করছেন। বড় মেয়ে নিশা উত্তর প্রদেশের আজমগড়ে থাকেন এবং ছোট মেয়ে প্রিয়া মুম্বাইয়ে বসবাস করেন। তিনজনই বিবাহিত এবং নিজ নিজ পরিবার নিয়ে থাকেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ