June 5, 2026, 12:24 am
শিরনাম :
বাগেরহাটে রেড ক্রিসেন্ট এর কুলিং স্টেশন উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পথচারীদের পানি, ছাতা ও হাতপাখা বিতরণ সীমান্তে ২৮ বাংলাদেশিকে ‘পুশ-ইন’ করল বিএসএফ কেন্দ্রীয় যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হলেন মাহমুদুল হাসান বাপ্পী আলফাডাঙ্গায় দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঔষধ, ঢেউ টিন ও চেক বিতরণ রাজশাহীতে চিকিৎসক সমাজের মানববন্ধন বিদ্যুত ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ খেয়াঘাটের স্থায়ী ইজারা বাতিলের দাবিতে চরবাসীর মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম বিদেশে শ্রমিক পাঠান- একে এম ফজলুল হক মিলন, এমপি

উজুলপুর বাজারে ওলামায়ে কেরামের ওয়াজ মাহফিল বাজানো বন্ধ: মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ

Reporter Name

উজুলপুর বাজারে ওলামায়ে কেরামের ওয়াজ মাহফিল বাজানো বন্ধ: মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

‎বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের উজুলপুর বাজারে ধর্মীয় বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাজারের এক দোকানে দেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম, বিশেষ করে মরহুম আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাইদী (রহ.)-এর ওয়াজ মাহফিল নিয়মিতভাবে প্রচার করা হলেও সম্প্রতি তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজুলপুর বাজারের এক দোকানে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে ওয়াজ মাহফিল সম্প্রচার করা হতো, যা বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা জাগ্রত করত। কিন্তু সম্প্রতি এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপে দোকান মালিককে ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করতে বলা হয়। এরপর থেকেই আর ওয়াজ প্রচার হচ্ছে না।

‎দোকান মালিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে বলেন, “আমি কোনো ঝামেলায় যেতে চাই না। তাই আপাতত ওয়াজ বাজানো বন্ধ রেখেছি।” তার এমন বক্তব্য স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

‎বাজারের এক প্রবীণ বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ওলামায়ে কেরামের ওয়াজ শুনে আমরা দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করি। এটা বন্ধ করে দেওয়া মানে আমাদের ঈমানি চেতনায় আঘাত করা। এটি জনগণের মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।”

‎অন্যদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে—ধর্মীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে এ ধরনের হস্তক্ষেপ সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং জনগণের ধর্মীয় অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে।

‎ঘটনাটি বর্তমানে উজুলপুর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ধর্মপ্রাণ মানুষরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর না ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ