July 25, 2026, 5:43 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

বারহাট্টা কৃষি ব্যাংকে গ্রাহক হয়রানি; প্রতিকার চান গ্রাহকরা

আসাদুজ্জামান তালুকদার, নেত্রকোণা প্রতিনিধি

ব্যাংকে লোন নিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে কৃষি ব্যাংক বারহাট্টা উপজেলা শাখার ফিল্ড অফিসার মোঃ জালাল মিয়া ও কৃষি ব্যাংক বারহাট্টা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক আল বাড়ী উল মোসাদ্দের এর নামে বারহাট্টার আমলী আদালতে মামলা [সি.আর.  নং- ৪৯ (১) ২০২৬ ] দায়ের করেছেন বারহাট্টা উপজেলার ডেমুরা গ্রামের মৃত আঃ রশিদ তালুকদারের ছেলে কামাল তালুকদার।

মামলাসূত্রে জানা যায়, কামাল তালুকদারের গরুর খামার ও ফিসারির নামে কৃষি ব্যাংকের বারহাট্টা উপজেলা শাখায় সি.সি লোন রয়েছে।
এ লোনটিকে পুনরায় ৫০ লক্ষ টাকায় বাড়িয়ে দেয়ার শর্তে ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ নেন সিনিয়র অফিসার মোঃ জালাল মিয়া ও কৃষি ব্যাংক বারহাট্টা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক আল বাড়ী উল মোসাদ্দের।

ভুক্তভোগী কামাল তালুকদার জানান, তার খামারের ২টি গরু বিক্রি করে ৩ লক্ষ টাকা ব্যাংক কর্মকর্তাদের ঘুষ দেন। টাকা দেওয়ার পরও লোন না দেওয়ায় দেয়া টাকা ফেরত চাইলে কোন টাকা তারা ফেরত দেয়নি এমনকি লোন দিতেও অস্বীকৃতি জানায়। তাই তিনি মামলা করেছেন। তিনি আরো জানান, তিনি  শুধু একাই ভুক্তভোগী নন, অধিকাংশ গ্রাহকদের সাথেই প্রতারণা করেন এই ব্যাংক কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে কৃষি ব্যাংকে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্বাক্ষাতকার নিতে গেলে দেখা যায়, সাহতা ইউনিয়নের আব্দুল জলিল নামে এক গ্রাহকের সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তারা। কারন জানতে চাইলে ভুক্তভোগী গ্রাহক বলেন, ১০ টাকা সুদ হলে তারা ২০ টাকা লিখে চিঠি পাঠায়। কোন নিয়মশৃঙ্খলা এরা মানেনা। এই ম্যানেজার আর জলিল মিলে আমাদের হয়রানির মধ্যে রেখেছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তারা জানিয়েছেন চিঠিতে তারা একটু বেশী লেখেন, কারন গ্রাহকরা চিঠি পাওয়া মাত্রই তো টাকা দিয়ে দেন না। তাই একটু বেশী লেখেন তারা। পাশাপাশি কামাল তালুকদারের কাছ থেকে ঘুষ নেননি বলে দাবি করেছেন।

এদিকে কৃষি ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা ও এমন দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ