July 25, 2026, 4:00 pm
শিরনাম :
মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার শ্যামনগরে বর্জ্য ও স্যানিটেশন কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কালীগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

বৈচিত্র্যকে সম্মান জানালেই টিকে থাকবে শান্তি ও সম্প্রীতি: সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উৎসব ২৬

সৈয়দ জালিস মাহমুদ। বার্তা সম্পাদক

  • জাতি, বর্ণ ও ধর্ম নির্বিশেষে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশের হাজার বছরের বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্যই সবচেয়ে বড় শক্তি—এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন বক্তারা। এই বৈচিত্র্যকে উদযাপন করতে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উৎসব ২০২৬’।

রাজধানীর মিরপুরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই উৎসবের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে স্বাগত বক্তব্যে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হতে পারে—একে অপরের সংস্কৃতি, জীবনাচার ও পার্থক্য সম্পর্কে জানা এবং পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শন।” সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে বোঝা ও সম্মান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর পক্ষে ফাতেমা মাহমুদা, ডক্টর নাজমুন্নাহার, মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, রাজু জবেদ, রিজভি আহমেদ।

বক্তারা বলেন সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানোর মাধ্যমে সমাজের মনের অন্ধকার দূর করা সম্ভব।
সাম্প্রতিক সময়ে বাউলদের চুল কেটে দেওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মেঘনা গুহঠাকুরতা বলেন, “মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
সহিংসতা বা অপমান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”
উৎসবের দ্বিতীয় পর্বে ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মনোমুগ্ধকর মানব পুতুল নাচ,খুলনার জারি গান ও পট গান, ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী গীতিকা, পার্বত্য অঞ্চলের রাখাইন নৃত্য, বাংলার আট কবির গান, নওগাঁর আদিবাসী সম্প্রদায়ের কারাম নৃত্য, গারো নৃত্য, নাটক, আবৃত্তিসহ একক ও দলীয় নৃত্য পরিবেশিত হয়।
বৈচিত্র্যময় এই পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দর্শকরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য চিত্র উপভোগ করেন।

একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে সংঘাত পরিহার করে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার বার্তাও তুলে ধরা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ