July 25, 2026, 4:55 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

প্রকাশ্যে ভূল্লী নদীর পাড় কেটে বিক্রি, হুমকির মুখে আবাদি জমি

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী নদীর পাড়ের মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করতেছে প্রভাবশালীরা। এতে চরম হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের আবাদি জমি ও ভূল্লী বাঁধ সেতু। এসব মাটি রাস্তার কাজে বিক্রি করা হচ্ছে চড়া দামে।

রবিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, ভূল্লী নদী বাঁধ সেতু থেকে ১০০-১৫০ গজ দূরে নদীপাড়ের মাটি কেটে তিনটি ট্রাক্টরে ভর্তি করা হচ্ছে।

তড়িঘড়ি করে মাটি গুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নদীর পূর্ব পাশে খোলা মাঠে। সেখানে মাটির স্তুপ করে বিক্রি করা হচ্ছে রাস্তার কাজেসহ বিভিন্ন স্থাপনার কাজের জন্য।

এ সময় ট্রাক্টর চালক শহিদুল বলেন, নূরে আলম নাম এক ছেলের নির্দেশে মাটি কাটা হচ্ছে। এসব মাটি রাস্তার যে কাজ চলতেছে সেখানে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ট্রাক্টর চালক শহিদুল বলেন এটা আমাদের অন্যায় হয়েছে।

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে (২০১০) বলা হয়েছে, বিক্রির উদ্দেশ্যে বালু বা মাটি উত্তোলনের ফলে কোনো নদীর তীর ভাঙনের শিকার হলে সে ক্ষেত্রে বালু বা মাটি তোলা যাবে না। অন্যদিকে, সেতু, কালভার্ট, বাঁধ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা অথবা আবাসিক এলাকা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ।

স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই স্থানে নদীর পাড় কেটে মাটি তোলা হলে সামান্য বন্যায় বাঁধের সেতু ও আশেপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়বে। এ ছাড়া আশপাশের আবাদি জমিতে নদীর পানি অনায়াসে ঢুকে ফসল নষ্ট হবে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, মাটি ভর্তি করে ট্রাক্টরগুলো দিন–রাত কাঁচা রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখন যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ‘নদীর বান্দন (বাঁধা) হওচে নদীর পাড়। সেই পাড় কাটিয়া রাস্তার কাজত বেচাওচে তা–ও কাঁয়ও কিছু কওছে না। আগামীবার বান (বন্যা) হইলে নদীর পানি যায়া জমিত ঢুকপে। তখন আবাদ নষ্ট হয়া যাইবে। হামার কপালোত দুঃখ আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘নদীর পাড় যারা কাটছে, খোঁজ নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খবর পাওয়ার সাথে সেখানে এসিল্যান্ডকে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি প্রভাবশালী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করতে হবে এবং আইনের আওতায় আনতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ