কলকাতায় বুক স্টল ও বইয়ের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে, বইপ্রেমী মানুষের আহ্বানে,- প্রতিবাদ মিছিল।
৩১ শে অক্টোবর শনিবার, ঠিক বিকেল তিনটায়, কলেজ স্কোয়ার বিদ্যাসাগর মূর্তির সামনে, কয়েক হাজার কবি, সাহিত্যিক ও প্রকাশনীর উপস্থিতিতে, শারদীয় পুজোর শুভ সূচনার মুহূর্তে, সেন্ট্রাল বাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় এবং কর্পোরেশনের উপস্থিতিতে যেভাবে বর্বরোচিত বইয়ের উপর হামলা হয়েছে তার প্রতিবাদে আজ বই প্রেমী মানুষের আহবানে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল। প্রত্যেকে হাতে হাতে বই নিয়ে।
প্রতিবাদ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, কমরেড বিমান বসু, কমরেড বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, কমরেড সুজন চক্রবর্তী, কমরেড দেবাঞ্জন ও বর্ণনা, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পবিত্র সরকার, শমিক ভট্টাচার্য, সঞ্চারী সেন ,রত্না মিত্র, ভগীরথ মিত্র, জিহাদ আলী, অন্বেষা সেনগুপ্ত ,বিভাস চক্রবর্তী, জহর সরকার, শ্যামল সেন গুপ্ত ,যশোধর রায় চৌধুরী ,পৌলমী চট্টোপাধ্যায়।, শুভময় মন্ডল, বিষ্ণুপ্রিয়া বসাক, রত্না মিত্র, বরেন্দ্র মন্ডল, কাজী কামাল নাসের ,সুজিত দাস ,সৌমিত্র বসু, শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য ,দিপালী ভট্টাচার্য ,কোয়েল ভড়, কঙ্কন সরকার সহ বহু বইপ্রেমী ও লেখক লেখিকা। এই মিছিলের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদকে সামনে রেখে, কি সুন্দর ক্যাপশন তুলে ধরেছেন—বই এর জন্য হাঁটুন।
সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা ও কবিতার মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে শুভ সূচনা হয়।
মিছিল বিদ্যাসাগর মূর্তি সামনে থেকে শুরু করে সিটি কলেজ হয়ে, কলেজ স্ট্রিট বই পাড়া হয়ে পুনরায় বিদ্যাসাগর মূর্তির সামনে এসে শেষ করেন এবং প্রতিবাদী গান কবিতা দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।
তারা বলেন এই প্রথম বইয়ের উপর হামলা হল যা এতো বছরে হয়নি।, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বইয়ের উপর ভয়ানক আক্রমণ নেমে এসেছে।, দেশ দুনিয়ায় বাংলার মর্যাদা ক্রমশ হেঁট হয়ে যাচ্ছে, আমাদের রাজ্যে দুর্গাপূজা বা শারদ উৎসবকে কেন্দ্র করে মানুষ আনন্দে যখন মেতে উঠেছে ঠিক সেই মুহূর্তে ঘটে গেল কেন্দ্র বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে বই স্টল ভাঙ্গা এবং বইকে পা দিয়ে মারানো, আপনারা জানেন পুজোর সময় পুজো প্যান্ডেলে বইয়ের স্টল থাকে, পত্রিকা প্রকাশনা থেকে শুরু করে আয়োজনে নাটক গান কবিতা সমারোহো চোখে পড়ে, কিন্তু এই বছর আমরা হতবাক হয়ে দেখলাম বয়েসটলের বিরুদ্ধে বেপরোয়া হামলা, বহু জায়গা স্টল ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হলো, আক্রান্ত হলেন কর্মী সংগঠকরা, পদদলিত হলো বই, সব থেকে নক্করজনক ব্যাপার ঘটতে দেখা গেল যাদবপুরে বৈ স্টলে, যেখানে বইগুলিকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হচ্ছে,
তাই যাতে পুনরাবৃত্তি না হওয়ায়, আমরা কবি সাহিত্যিক সংগঠক প্রতিবাদে নেমেছি, সরকার বই পড়া বন্ধ করে দিতে চলেছেন, এই বহু কবি ও সাহিত্যিক মুখ থুবড়ে পড়বেন, তাহা আমরা হতে দেব না, আমরা রুখে দাঁড়াবো বইকে বাঁচিয়ে রাখবো, নতুন নতুন বই উপহার দেবো, দেখতে চাই কিভাবে বই পড়া বন্ধ করে দিতে পারে, আমরা কোনদিনও তা হতে দেবো না তাই আজ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে সরকারকে বুঝিয়ে দিলাম।