ময়মনসিংহ শহরের জুবিলী কোয়ার্টার এলাকায় বিগত ২০২২ সালে ২১ সেপ্টেম্বর মোবাইলে মিস কলকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে ২২ সেপ্টম্বর সাথী আক্তার নামের মহিলাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।আদালতে চার্জসীট দায়ের করার পর মামলার বিচারের জন্য অতিরিক্ত জেলা ও দায়রাজজ ১ম আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত ১৩ জনের সাক্ষী গ্রহন শেষে দীর্ঘ শুনানীর অভিযুক্ত হৃদয়কে মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত করেন ও দেড়লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শামসুদ্দিন জনাকীর্ণ আদালতে ৮ সেপ্টম্বর এ রায় প্রদান করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় বিগত ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সকালে মিসকল দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাথী আক্তারের সঙ্গে আসামি হৃদয়ের কথাকাটাকাটি হয়।এর জেরে ২৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে হৃদয়সহ কয়েকজন সাথীর জুবিলী কোয়ার্টারস্ত ভাড়াবাসায় গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাথী আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শামসুদ্দিন আসামি হৃদয়কে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড এবং দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ডের রায় দেন।
মামলার রায়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট আনোয়ারুল আজিজ টুটুল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট মোকাম্মেল হক।