October 30, 2026, 9:43 pm
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করেই জামান এগ্রো ফার্ম থেকে জৈব সার যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়

মোঃ মিনারুল ইসলাম, চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করেই জামান এগ্রো ফার্ম থেকে জৈব সার যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়

অন্যের প্যাকেটে জৈব সার প্যাকেটজাত, মজুত এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্য পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের হোলডাঙ্গা গ্রামের মেসার্স জামান এগ্রো ফার্মের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, নিজস্ব এলাকার মধ্যে সার বিক্রির কথা বলা হলেও নিয়মিত ট্রাকভর্তি করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত জৈব সারসদৃশ পণ্য।

গত ১৪ই আগস্ট শুক্রবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে অন্যের প্যাকেটে জৈব সার প্যাকেটজাত করে মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোছা. হাফিজা খাতুনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে লাইসেন্স গ্রহণ করে নিজস্ব প্যাকেটে পণ্য বাজারজাতের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ, জরিমানা ও নির্দেশনার পরও কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।

সর্বশেষ শুক্রবার সন্ধ্যায় কারখানার সামনে একটি ট্রাকে সাদা বস্তায় প্রায় ২০ টন জৈব সারসদৃশ মাটি লোড করতে দেখা যায়। পরে ট্রাকটি রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয় বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোছা. হাফিজা খাতুনের স্বামী সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তিনি ছুটিতে বাড়িতে এলে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও কার্যক্রম নিজেই দেখাশোনা করেন। স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যাতেও তাকে কারখানায় উপস্থিত থেকে ট্রাকে পণ্য তোলার কার্যক্রম দেখাশোনা করতে দেখা গেছে।

এতে সরকারি সংস্থার অভিযান, জরিমানা ও স্পষ্ট নির্দেশনার পরও কীভাবে একই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্দেশনা অমান্য করে এসব পণ্য জেলার বাইরে পাঠানোর অভিযোগ পুনরায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ