October 31, 2026, 2:29 am
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

বান্দরবান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক সংকট

মো. ইসমাইলুল করিম, বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবান সদর উপজেলার বান্দরবান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন মুসলিম এবং ৪০ থেকে ৪৫ জন সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী রয়েছে।

তবে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টিতে মুসলিম ও হিন্দু ধর্মের কোনো শিক্ষক না থাকায় ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষকসহ অনুমোদিত ৯ জন এবং সংযুক্তিতে আরও ৫ জনসহ মোট ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তাদের সবাই মারমা সম্প্রদায়ের। ফলে মুসলিম ও সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণে নিয়মিত সমস্যা হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের কয়েকজন মুসলিম শিক্ষার্থী জানায়, ইসলাম ধর্ম শিক্ষার ক্লাস নিয়মিত হয় না। মাঝে মাঝে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ধর্মীয় শিক্ষা পড়ানোর চেষ্টা করেন। অনেক সময় নিজেদের উদ্যোগে বই পড়ে কিংবা বাড়িতে পড়াশোনা করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়। একই সমস্যার কথা জানিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরাও।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টিংম্যায়ী মারমা বলেন, মুসলিম শিক্ষক দেওয়ার জন্য অভিভাবকরা জেলা পরিষদে আবেদন করেছেন। তবে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আবেদন করা হয়নি। নতুন জেলা পরিষদ গঠন হয়েছে জানিয়ে তিনি বিষয়টি চেয়ারম্যানকে অবহিত করার কথা জানান।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)পরিণয় চাকমা প্রতিবেদক’কে বলেন, বিদ্যালয়টিতে ধর্মীয় শিক্ষক না থাকার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও তাকে কিছু জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি আজ জানতে পেরেছেন এবং আগামী রোববার বা সোমবারের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

স্থানীয় অভিভাবকরা বলছেন, বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাই দ্রুত মুসলিম ও সনাতন ধর্মের শিক্ষক নিয়োগ অথবা বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ