বাগরেহাটরে কচুয়ায় মলিল একই পরবিাররে ৩ লাশ। নজি বসত ঘর থকেইে মলিল এই লাশ। একই পরবিাররে তনিজনরে গলতি মরদহে উদ্ধার করছেে মঙ্গলবার দুপুরে পুলশি। কয়কে দনি ধরে ঘর থকেে তীব্র র্দুগন্ধ বরে হতে থাকলে প্রতবিশেীদরে সন্দহে হয়। বষিয়টি পুলশিকে জানানো হয়। এদনি দুপুরে কচুয়া থানা পুলশি ঘটনাস্থলে গয়িে ঘর থকেে তনিজনরে গলতি মরদহে উদ্ধার করার কথা স্বীকার করছেে । চাঞ্চল্যরে সৃষ্টি করছেে ঘটনাট। পুলশিরে প্রাথমকি ধারণা, শ্বাষ রোধ করে হত্যা করা হতে পার।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাগরেহাটরে কচুয়া উপজলোর রাঢ়ীপাড়া ইউনয়িনরে পশ্চমি চাঁন্দরেকোলা গ্রামে এই র্মামান্তকি ঘটনা ঘট।ে নহিতরা হলো – আবদার হাওলাদাররে ছলেে আহাদ হাওলাদার (২২), রশদি শখেরে ময়েে মনরিা বগেম (৫৫) ও রশদি শখেরে স্ত্রী রাশদিা বগেম (৯০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়কে দনি ধরে ঘর থকেে তীব্র র্দুগন্ধ বরে হতে থাকলে প্রতবিশেীদরে সন্দহে হয়। বষিয়টি পুলশিকে জানানো হলে কচুয়া থানা পুলশি ঘটনাস্থলে গয়িে ঘর থকেে তনিজনরে গলতি মরদহে উদ্ধার কর।
কচুয়া থানার এসআই মাহমুদ জানায়, মরদহেগুলোর অবস্থা দখেে ধারণা করা হচ্ছ,ে ঘটনাটি কয়কে দনি আগে ঘটছে।ে প্রাথমকি তদন্তে এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে সন্দহে করা হলওে, হত্যার প্রকৃত কারণ ও কীভাবে ঘটছেে তা তদন্ত শষেে নশ্চিতি হওয়া যাব।

খবর পয়েে পুলশিরে র্ঊধ্বতন র্কমর্কতারা ঘটনাস্থল পরর্দিশন করনে। তীব্র র্দুগন্ধরে কারনে এখনও লাশ উদ্ধারে একটু বলিম্ব হয়। উদ্ধারকৃত মরদহেগুলো ময়নাতদন্তরে জন্য বাগরেহাট ২৫০ বডে হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে পুলশি জানায়।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা (তদন্ত) মাহামুদ হাসান বলনে, কয়কে দনি ধরে ঘর থকেে তীব্র র্দুগন্ধ বরে হওয়ার খবর প্রতবিশেীদরে মাধ্যমে পুলশি জানাতে পার।ে পরে র্দুগন্ধ পুলশি ঘটনাস্থলে গয়িে তনিজনরে গলতি মরদহে উদ্ধাররে কাজ চলছ।ে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরকিল্পতি হত্যাকাণ্ড। তবে ময়নাতদন্তরে পর বস্তিারতি জানানো যাব।