July 28, 2026, 6:26 pm
শিরনাম :
শ্যামনগরে পাচার হওয়ার সময় বিএডিসির ৫৭ বস্তা সার জব্দ ভারতের আটক ৫ বাংলাদেশি নারীকে বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর। জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার অঙ্গীকার। বাগেরহাট সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়তে হলে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই : মিয়া গোলাম পরওয়ার জুলাইযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মুফাসসিরদের অগ্রণী হতে হবে -মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি পুলিশ সুপার কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন পুলিশ অফিস সীমান্তে ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে মোবাইল ফোন সার্ভিসিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

শ্যামনগরে পাচার হওয়ার সময় বিএডিসির ৫৭ বস্তা সার জব্দ

নূরুন্নবী ইমন, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে অবৈধ ভাবে পাচার হওয়ার সময় বিএডিসির ৫৭ বস্তা সার জব্দ হয়েছে।

২৮ শে জুলাই ( মঙ্গলবার) , সকাল ১০ টায় কৈখালী ইউনিয়নের জয়াখালী চেয়ারম্যান বাড়ী মোড়ে চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে উক্ত সার জব্দ করা হয়।

জানা যায় , বিএডিসির সার মূলত নিবন্ধিত সার ডিলার ও কৃষকেরা পেয়ে থাকেন। সরকারের সমন্বিত নীতিমালা অনুযায়ী লাইসেন্স প্রাপ্ত ডিলাররা বিএডিসি থেকে সরকারি মূল্যে ও কোটায় সার তুলে মাঠ পর্যায়ে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে বিক্রি করেন। এ বিষয়ে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন , আমিনুর রহমানের বিএডিসির সার ডিলার লাইসেন্স না থাকার পরেও সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুনের নামীয় শাপলা এন্টার প্রাইজের লাইসেন্স ব্যববার করে সার উত্তোলন করে কৈখালী ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় না করে কৌশল করে উচ্চ দামে অন্য ইউনিয়নে বিক্রয় করে আসছে। আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শাপলা এন্টার প্রাইজের ট্রেড লাইসেন্স নাই বা ইউনিয়নে সারের কোন গুডাউন নাই। সম্পুর্ন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বহু বছর ধরে একই নামে বিএডিসির লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ষিয়টি নিয়ে আমি বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে অভিযোগ করলেও সমাধান হয়নি। অবশেষে আজ সকালে অন্য ইউনিয়নে সার পাচার করার সময় আমি জব্দ করি।

প্রান্তিন কৃষক জয়াখালী গ্রামের মোহাম্মাদ আলীর পুত্র হাফিজুর রহমান বলেন , আমরা বিএডিসির ডিলালের কাছে গিয়ে সার ক্রয় করতে পারি না। সার নিলে বিষ নিতে হবে এমন শর্ত বেধে দেন ডিলার। এ কারনে বাইরে থেকে বেশি দামে সার ক্রয় করতে হয়।

এ বিষয়ে আমিনুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউর ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিবাশীষ দাস বলেন , বিষয়টি চেয়ারম্যান জানানোর পরে স্যারকে অবগত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক বলেন , বিষয়টি জানার পরে কৃষি অফিসারকে অবগত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ