September 15, 2026, 2:58 pm
শিরনাম :
বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের সমস্যা সমাধানে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন-পটিয়ায় কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, “কৃষক কার্ড প্রবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত সেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।”

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের মধ্যম কচুয়াই ব্লকের মিলনচক্রের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে কৃষক কার্ডের মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের সমস্যা সমাধানে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কৃষক কার্ড প্রস্তুত হয়ে গেলে কৃষকদের সব তথ্য সরকারের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। ফলে কেউ চাইলেই সিন্ডিকেট তৈরি করে কৃষিপণ্যের মূল্য কারসাজি করতে পারবে না। কৃষকরা যাতে তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, সে বিষয়ে সরকার নজর রাখবে।

তিনি বলেন, কৃষক কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে জমির মালিকানার ভিত্তিতে কৃষকদের পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো—ভূমিহীন কৃষক, প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র কৃষক, মাঝারি কৃষক এবং বড় কৃষক। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথমে প্রি-পাইলটিং, এরপর পাইলটিং এবং সর্বশেষ দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে সারাদেশে কৃষক কার্ডের জন্য ৪৫ হাজার আবেদন পাওয়া গেছে। ধাপে ধাপে সারা দেশের প্রায় চার কোটি কৃষক এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রহিম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ, পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন, চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিকসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় কৃষকেরা।

মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকারি কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা, কৃষিঋণ এবং অন্যান্য সরকারি সেবা প্রকৃত কৃষকদের কাছে আরও দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এজন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে নির্ভুলতা নিশ্চিত করারও নির্দেশনা দেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ