September 15, 2026, 2:57 pm
শিরনাম :
বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

রামেবির ৮ হাজার গাছ কোথায় গেল?

সিরাজুল ইসলাম রনি, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি) ক্যাম্পাস এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৮ হাজার গাছ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কাগজে-কলমে গাছ থাকলেও বাস্তবে তা নেই। রামেবির একটি প্রভাবশালী চক্র গাছগুলো হজম করে ফেলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি জানতে পেরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন রামেবির উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হকের সঙ্গে কথা বলেছেন, এরপরে সকালেই ক্যাম্পাস এলাকা পরিদর্শন করেছেন ভিসি।

পরিদর্শন শেষে দুপুরের মধ্যেই তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বিক্রি করা গাছের হিসেব দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিন দফায় ২ হাজার ৬৪২টি গাছ নিলামের মাধ্যমে ২৬ লাখ ১২ হাজার ৫৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। আর কোনো গাছ কাটা হয়নি বলে তিনি মন্ত্রীর কাছে দাবি করেছেন। কিন্তু কত গাছ ছিল আর এখন কত আছে তা তিনি জানেন না। এতে বিরক্তি প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

ক্যাম্পাসে কত গাছ ছিল, কত বিক্রি করা হয়েছে এবং এখন কত গাছ আছে তা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানতে চান। তখন নথিপত্রে বের করে দেখা যায়, মোট গাছ ছিল ২৫ হাজার ৮৪২টি। তিনি জানান ২ হাজার ৬৪২টি গাছ নিলামের মাধ্যমে ২৬ লাখ ১২ হাজার ৫৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

বিষয়টি স্বীকার করে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয়ের ফোন পেয়ে আমি নিজেই প্রকল্প এলাকায় গিয়েছিলাম। আমার কাছেও মনে হচ্ছে এক হাজারের মতো গাছ আছে। বাকি গাছ কোথায় গেল সেটা আমিও বুঝতে পারছি না। প্রায় ৮ হাজার গাছ তাহলে কোথায় গেল, এমন প্রশ্নে ভিসি বলেন, ‘ভূমি অধিগ্রহণের সময় লোকজন অতিরিক্ত গাছের সংখ্যা বলেন মূল্য বেশি পেতে। এইক্ষেত্রেও এমনটি হতে পারে।
নিলামে গাছ কেনা তিনটি প্রতিষ্ঠান কেনার অতিরিক্ত গাছ কেটেছে কি না জানতে চাইলে ভিসি বলেন, ‘না, আমার সেটা মনে হয় না। এখন যে গাছ আছে তা হয়ত হাজার খানেক হবে। প্রকৃত সংখ্যা জানতে আমি উপসহকারী প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনি গুণে এসে আমাকে জানাবেন। আমিও মন্ত্রী মহোদয়কে এ কথা জানিয়েছি।’

নগরের সিলিন্দা এলাকায় এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ৬৭ দশমিক ৬৭৯২ একর জমি অধিগ্রহণ করেন জেলা প্রশাসন। ২০২৩ সালের ১ জুন তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শরিফুল হক ক্ষতিপূরণের প্রাক্কলন প্রস্তুতের বিবরণ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে একটি চিঠি দেন। এই চিঠিতে গাছের মোট সংখ্যা বলা হয় ২৫ হাজার ৮৪২টি।

উল্লেখ্য, শুরু থেকেই রামেবি স্থাপন প্রকল্পে কিছু অভিযোগ উঠছে। তবে এখনও পর্যন্ত ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ কাজই শুরু হয়নি। এ পর্যন্ত শুধু প্রধান ফটক দৃশ্যমান হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ