বাগেরহাট খানজাহান আলী (রহ:) মাজার দিঘির একমাত্র মাদ্রাজি কুমিরকে অবশেষে সুন্দরবনের করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
একদিন আগে মাজার দিঘিতে গোসল করতে নামলে ফাতেমা নামের এক কন্যা শিশুকে এই একমাত্র কুমিরটি ধরে নিয়ে ছিল। পরে ওই দিন সন্ধ্যা থেকে রাত অব্দি ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জনগন মেয়েটিকে রাত ভর উদ্ধারের চেষ্টা চালায়।

মঙ্গলবার ভোরে স্থানীয়দের সহায়তায় ফাতেমার লাশ উদ্ধার করা হয়। ফাতেমাকে ওই দিন সকালে মাজার দিঘির পাড়ে দাফন করা হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ ও পর্যটকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতির আলোকে রাতেই বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় পর্যটক, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলে মানুষ খেকো এই কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন।

সেই আলোকে কুমিরটিকে আজ বুধবার দুপুরের ধরে নিয়ে সুন্দরবনের করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। কুমিরটি স্থানান্তরের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ মোসা: আতিয়া খাতুন, সুন্দরবনের করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্রের আজাদ কবিরসহ স্থানীয় জনসাধারণ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।