July 25, 2026, 5:26 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

কোটালীপাড়ায় বোরো ধান কর্তনে ধীরগতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

কামরুল হাসান, কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

শ্রমিকের অভাব ও বৃষ্টিপাতের কারণে সময়মত ধান কাটতে পারছেন না কোটালীপাড়ার কৃষকরা। অনেক জায়গায় পাকা ধান ক্ষেতেই পড়ে আছে, আবার কোথাও কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সময়মতো ধান ঘরে তুলতে না পারায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, পর্যাপ্ত শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন জেলা থেকে যারা আসছেন তাদের মজুরিও বেড়ে গেছে। বৃষ্টির কারনে অনেক শ্রমিক কাজ শুরু করে মাঝপথেই চলে যাচ্ছেন। এছাড়া ধান কাটার কৃষিযন্ত্র চালাতে দক্ষ অপারেটরের অভাবেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

তারাশী গ্রামের কৃষক হিটু তালুকদার বলেন, শ্রমিকের অভাবে পাকা ধান জমিতে পড়ে আছে। অল্প সংখ্যক শ্রমিক যাও মিলছে তাদের মজুরি অনেক বেশি, তাই খরচও বেড়ে যাচ্ছে। এভাবে চললে লাভ তো দূরের কথা, খরচই উঠবে না।

কান্দি গ্রামের কৃষক সুরেস মধু বলেন, ধান পেকে গেছে, কিন্তু জমিতে পানি থাকায় মেশিন নামানো যাচ্ছে না। খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। অন্যদিকে ধান কাটার পর মাড়াই নিয়েও নতুন সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। ডিজেলের ঘাটতির কারণে পর্যাপ্ত মাড়াই মেশিন চালানো যাচ্ছে না। ফলে অনেক জায়গায় কাটা ধান সময়মতো মাড়াই করা সম্ভব হচ্ছে না, যা ক্ষতির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ হাজার ৭৯৪ হেক্টর। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ২৬ হাজার ৮০৩ হেক্টর জমিতে। গত ২০ এপ্রিল থেকে ০৫ মে পর্যন্ত ৬ হাজার ৯৬৭ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। এখনো বাকি রয়েছে প্রায় ১৯ হাজার ৮৩৪ হেক্টর জমির ধান কর্তন। যা মোট আবাদকৃত জমির প্রায় ৭৬ শতাংশ।

উপজেলা কৃষি অফিসার দোলন চন্দ্র রায় বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে পানি জমে থাকায় যন্ত্রের মাধ্যমে ধান কাটতে সমস্যা হচ্ছে। উপজেলায় ১৮টি কম্বাইন হারভেস্টার ও ১৫৬টি রিপার মেশিন রয়েছে, তবে সব জায়গায় তা ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা কৃষকদের সহযোগিতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী ২০ থেকে ২৫ মে’র মধ্যে ধান কর্তন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ