বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলাধীন শতার্ধ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ফকিরহাট বাজার।
জেলার অন্যতম পুরাতন এই বাজারটিতে খুলনা, বাগেরহাট এবং গোপালগঞ্জ জেলার মাঝামাঝি হওয়ায় এক সময় অনেক লোকের আনাগোনায় ছিল মুখরিত। হাটের দিন মানুষের ভীড়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াত ছিল দুস্কর।
ইদানীং গ্রামে গ্রামে মোড়ে মোড়ে যেখানে সেখানে ছোট বড়ো মুদি ও টং দোকান হওয়ার কারণে হাটবাজারে মানুষের ভীড় পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

আগের দিনে সপ্তাহে দুই দিন বাজার বসতো তাই হাটের দুই দিন মানুষের চাপ থাকতো বেশি। কিন্তু এখন প্রত্যেক দিন বেচাকেনা হয় দেখে ভিড় কমে গেছে।
ফকিরহাট বাজারে রয়েছে প্রায় ১২ শত ছোট বড়ো দোকান।
মাছ, তরি-তরকারি, ধান চাল, নারকেল, পান-শুপারী, গরু ছাগল, হাস মুরগির হাট সহ মুদি, হার্ডওয়্যার এর দোকান থেকে শুরু করে গার্মেন্টস, ইলেকট্রনিক, রড সিমেন্ট, ঔষধের দোকান সহ সব ধরনের পন্য ক্রয় বিক্রয়ের অন্যতম বাজার।
এই বাজারে রয়েছে ১৫ টির মত ব্যাংকের শাখা।
কয়েকটি জেলা, উপজেলার মানুষের নিত্যদিনের ক্রয় বিক্রয় এর অন্যতম এই বাজারের গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, পাকা চান্দিনার সংকট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পলাতক বনিক সমিতি ও অদৃশ্য বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির অব্যবস্থাপনার মধ্যে জর্জরিত এই প্রাচীন বাজার টি।

বাজার পাহারা বাবদ নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হলেও দোকান চুরির ঘটনা নিত্যদিনের। হয়না কোন প্রতিকার। পাবলিকের টাকায় কেনা সি সি ক্যামেরা লাগানো হলেও অদৃশ্য চোরেরা কবে কখন চুরি করে নিয়ে গেছে তা বলতে পারেন না স্হাপনকারীরা।
অল্প বৃষ্টি হলেই জায়গায় জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনদূর্ভোগের অন্ত থাকে না। দোকান মালিক এবং সাধারণ মানুষের দাবি দ্রুত সমস্যা সমাধান করে বাজার ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হউক।