
আরাগচি বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়কালে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে। তবে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে ইরান নির্ধারিত ‘সমন্বিত রুট’ অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি একদিকে অবরোধ শিথিলের ইঙ্গিত, অন্যদিকে সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার কৌশল।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। যদিও এই চুক্তিতে সরাসরি Hezbollah-এর নাম উল্লেখ না থাকায় শুরু থেকেই কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। তবুও ইরানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইঙ্গিত করছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা সাময়িকভাবে প্রশমনের পথে।
বিশ্ব জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর ইরান এই প্রণালি বন্ধ করে দিলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়—তেলের দাম বেড়ে যায় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত।
বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতি ও জ্বালানি বিশ্লেষকরা। তবে তারা সতর্ক করে বলছেন, আঞ্চলিক সংঘাত পুরোপুরি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকি থেকেই যাবে।