রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন।
রোববার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেস্কিয়ান এর সঙ্গে এক ফোনালাপে তিনি এই প্রস্তাব দেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
এর আগে পাকিস্তানে প্রায় ২১ ঘণ্টার ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি। এই অচলাবস্থার মধ্যেই পুতিন কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে একটি “ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি” প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে প্রস্তুত।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের “দ্বিমুখী নীতি” এবং “একতরফা মনোভাব”কে আলোচনার প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চললে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব।
অন্যদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যানস ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগে অনীহাকেই প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, আলোচনার বেশিরভাগ বিষয়ে অগ্রগতি হলেও ইরান যদি পারমাণবিক সক্ষমতা ধরে রাখে, তবে সেই সমঝোতার কোনো মূল্য থাকবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়ার মধ্যস্থতা উদ্যোগ নতুন কূটনৈতিক পথ খুলে দিতে পারে, তবে পারমাণবিক ইস্যুতে মতপার্থক্য দূর না হলে স্থায়ী সমাধান কঠিন হয়ে পড়বে।