তালার খেশরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য তাপস দাশ বাবু’র বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের সরকারি গাছ চুরি করে কেটে নেবার অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনার সংবাদ পেয়ে খেশরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে চুরি করে কাটা গাছ পাচারকালে আটকিয়ে দিলেও গোপনে ৩টি গাছ পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। ওই ৩টি গাছের মূল্য আনমানিক ৩ লক্ষ টাকা। এঘটনায় এলাকার অর্ধশত ব্যক্তি সাতক্সীরা জেলা প্রশাসক ও তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছে।
এলাকাবাসী জানান, খেশরা গ্রামের মনোরঞ্জন দাশের বাড়ি হতে মাষ্টার স্বদেশ মল্লিকের বাড়ি অভিমুখের কাচা রাস্তার দু’ পাশ থেকে ২২টি গাছ চুরি করে সাবেক ইউপি সদস্য তাপস দাশসহ কয়েকজন ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজে কেটে বিক্রি করার চেষ্ট করে। এসময় বিষয়টি তালা উপজেলা প্রশাসনকে গ্রামবাসী অবহিত করে। একপর্যায়ে খেশরা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে কর্মকর্তারা এসে গাছ আটকিয়ে দেয়। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা চলে যাবার পর তাপস দাশ বাবুসহ অন্যান্য লোকজন কৌশলে ৩টি বড় বড় গাছ বেপারীর কাছে বিক্রি করে দিলে তারা গাছগুলি চুরি করে নিয়ে যায়। সরকারি গাছ চুরির ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার অর্ধশত লোক সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করেছেন।
এবিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য তাপস দাশ বাবু জানান, আমি মেম্বর থাকাকালে ইউনিয়ন পরিষদের সাথে চুক্তি করে ওই গাছগুলোসহ ৭০০ গাছ রোপন করেছিলাম। এরমধ্যে ২০/২২টি গাছ কাটার সময় নায়েব বাঁধা দিলে তা সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
এব্যপারে খেশরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয়ের নির্দেশে ওই গাছগুলো জব্দ করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, গাছগুলো বাবু দাশ রোপন করতে পারে কিন্তু গাছ কাটার জন্য সরকারি যে বিধিমালা রয়েছে তা তিনি মানেননি। একারনে গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা গাছের মধ্য থেকে গাছ চুরি করে নিয়ে গেলে সেবিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।