বাগেরহাটে প্রথমবারের মত জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সমাবেশ সফল করতে চলছে নানা কর্মযজ্ঞ। ঐতিহাসিক এই জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে আশা জামায়াতের নেতাকর্মীদের।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, আগামীকাল ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার খানজাহান আলী কলেজ ময়দানে বিকাল তিনটার সমাবেশে আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে আমরা সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। স্টেজ তৈরি, মাঠ প্রস্তুত, প্রচারণা ও মাইকিং সকল কাজ শেষের পথে। আমরা ধারণা করছি এটা ঐতিহাসিক একটি সমাবেশ হবে। এই সমাবেশে লক্ষাধিক নেতাকর্মীর সমাগম হবে বলে আশাকরেন এই নেতা।
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ বলেন, এই প্রথম বাগেরহাটে আমীরে জামায়াতের আগমন ও জনসভা হচ্ছে। জেলার সর্বত্রই একটা উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এই সমাবেশ যাতে সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তাতে আমরা সবধরণের চেষ্টা করছি। নেতাকর্মীদেরও সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশাকরি আমরা সফলভাবে এই জনসভা সম্পন্ন করতে পারব।
বাগেরহাটের জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন, জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ ইউনুস, জামায়াত নেতা ইকবাল হোসাইন, অ্যাডভোকেট মোস্তাইন বিল্লাহ প্রমুখ। এছাড়া মতবিনিময় সভায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ শুনু, সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটনসহ বাগেরহাটে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তারা বলেন, দেশে ন্যায়, ইনসাফ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন জনসভা জনগণের মধ্যে গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বার্তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা জনসভাটি সফল করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে জনসভাস্থল পরিদর্শন শেষে বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাসুম খান বলেন, আমরা সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছি। সমাবেশে পুলিশের তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।