July 25, 2026, 8:15 pm
শিরনাম :
পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান

ডিজির সঙ্গে অশোভন আচরণের পেছনে ডা. ধনদেবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

ডেস্ক রিপোর্ট

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরের সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা ও অশোভন আচরণ করা ডা. ধনদেবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়।

গত শনিবার দুপুরে হাসপাতালে ডিজির পরিদর্শনের সময়ই ঘটনা ঘটে। পরিদর্শনের এক পর্যায়ে জরুরি বিভাগের সেবার মান, রোগী ব্যবস্থাপনা ও স্টাফদের উপস্থিতি নিয়ে ডিজি প্রশ্ন তুললে ডা. ধনদেব উত্তেজিত হয়ে উচ্চকণ্ঠে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে সাসপেন্ড করতে ডিজিকে ধমক দেন। ডিজির প্রতি তার আচরণ অশোভন ও সরকারি বিধি-বহির্ভূত হওয়ায় তাকে অব্যাহতির নির্দেশ দিয়ে বিকেল চারটার দিকে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম ফেরদৌস আনুষ্ঠানিকভাবে শোকজ নোটিশ জারি করেন।

                                                                                                                                                                         বিজ্ঞাপন

এদিকে ডা. ধনদেব চন্দ্র বর্মন রোববার বেলা ১১টার দিকে হাসপাতাল পরিচালকের কাছে শোকজের জবাব জমা দিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ডিজি বয়স্ক মানুষ, আমারও বেয়াদবি হয়েছে। তাই আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি।”

শোকজের জবাবের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মাইনুদ্দিন বলেন, শোকজের জবাব পর্যালোচনার পর কর্তৃপক্ষ কি ধরনের ব্যবস্থা নিবেন তা এখনি বলা যাচ্ছে না।

জানা গেছে, তিনি আওয়ামীপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাচিপের জেনারেল সদস্য। তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কখনো ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দেননি, সিনিয়র স্কেল পরীক্ষা দেননি, ফাউন্ডেশন ট্রেনিংও সম্পন্ন করেননি। পদোন্নতির জন্য আবশ্যক বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) জমা দিতেও তার দীর্ঘদিনের অবহেলা ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ১৭ বছর ধরে পদোন্নতির কোনো নিয়মিত প্রক্রিয়াই অনুসরণ করেননি ডা. ধনদেব চন্দ্র বর্মন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি পদোন্নতি না পেলেও বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার তাকে নিয়ম ছাড় দিয়ে চলতি বছরের ২৯ জুলাই আবাসিক সার্জন থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ