ফকিরহাট সহ বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত।
সৈয়দ জালিস মাহমুদ
৩০ অক্টোবর ২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে যুবদল ফকিরহাট ও কচুয়া ও মোল্লাহাট উপজেলা শাখার উদ্যোগে এক শোভাযাত্রা ও পথসভার আয়োজন করা হয়। পরে তারা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বৃক্ষরোপণ করে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ফকিরহাট বিশ্ব রোড মোড় থেকে রেলী বের হয়ে বাজারের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে ডাকবাংলো মোড়ে পথসভায় বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতা ইন্জিনিয়ার এ্যাড মাসুদ রানা। যুবদলের সাবেক সভাপতি, বিএনপি নেতা শেখ ইফতেখার আহমেদ পলাশ, বিএনপি নেতা মোড়ল কামরুজ্জামান, যুবদলের সাবেক আহবায়ক শেখ মুশফিকুজ্জান রিপন,
এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব লায়ন শেখ দেলোয়ার।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাজু আহম্মেদ, যুবদলনেতা মো: জাহাঙ্গির হোসেন, ইবাদাত আলী বাধন, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মঈন উদ্দিন মেরু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, সাবেক সাধারন সম্পাদক সাবিদুর ইসলাম সাগর, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আসাদুজ্জামান পলাশ,সালাউদ্দিন লিঠু, বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ বিভিন্ন নেতা-কর্মি উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল বিকেলে কচুয়া উপজেলা বিজয় চত্বরে অনুষ্ঠিত এ পথ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শেখ মহিউদ্দিন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজরা আসাদুল ইসলাম পান্না,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন ও শেখ হুমায়ুন কবির।
যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সিকদার মশিউর রহমান মুক্তা সভা সঞ্চালনা করেন। সভায় কচুয়া যুবদল নেতা মিন্টুর হত্যাকারীদের বিচার ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে যুবদলের সব নেতা কর্মী মাঠে থেকে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে। পরে কচুয়া উপজেলার সামনে বিজয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ করা হয়।
একইদিন বিকেলে জেলার মোল্লাহাটে বিরামহীন বৃষ্টিতে ভিজে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা সদর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার কলেজ চত্বরে এসে শেষ হয়।