July 25, 2026, 6:36 pm
শিরনাম :
যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান কালীগঞ্জে বাল্য বিয়ের অপরাধে কনের পিতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড বরিশাল জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

খুলনায় নামের বিভ্রান্তিতে দু’ কলেজ, প্রতিকার দাবি

আমিরুল ইসলাম, খুলনা ব্যুরো প্রধান

খুলনায় ‘রূপসা কলেজ” ও “রূপসা সরকারি কলেজ” নামের বিভ্রান্তিতে পড়েছে। একই ধরণের নাম হওয়ায় এক অনুষ্ঠানের চিঠিপত্র অন্য প্রতিষ্ঠানে এবং নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রেও এক প্রতিষ্ঠানের জায়গায় অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, এ বিভ্রান্তি দূরীকরণের বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রূপসা কলেজের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের শিক্ষক রুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন শেষে কলেজের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, রূপসা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রূপসা কলেজ ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রূপসা নদীর পূর্ব পাড়ে। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে এই প্রতিষ্ঠান হাজারো শিক্ষার্থীকে জ্ঞানচর্চার আলোয় আলোকিত করেছে।

অন্যদিকে, রূপসা উপজেলার অপর প্রান্তে ভৈরব নদীর তীরে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু কলেজ” সম্প্রতি সরকারের সিদ্ধান্তে রূপসা সরকারি কলেজ” নামে পুনঃনামকরণ করা হয়েছে। কিন্তু এমন নামকরণের ফলে বিশেষ করে এ অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নানা রকমের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। যেমন, রূপসা কলেজের ডাকযোগে আসা গুরুত্বপূর্ণ চিঠিপত্র ভুলক্রমে রূপসা সরকারি কলেজে চলে যাচ্ছে এবং সরকারি কলেজের চিঠিপত্র চলে আসছে রূপসা কলেজে। একইভাবে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। এ বছর প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী রূপসা কলেজে ভর্তির ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ভুলক্রমে আবেদন করেছে রূপসা সরকারি কলেজে।

আরও বলা হয়, অনার্স কোর্সে প্রতি বছর ভাল ফলাফলের জন্য প্রায় ৩শ’ শিক্ষার্থী আবেদন করলেও এ বছর আবেদন করেছে মাত্র ২৫ জন। ফলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ বিভ্রান্তি দূর করতে হলে সরকারের সদ্য নামকৃত “রূপসা সরকারি কলেজ”র নাম পরিবর্তন জরুরী বলে মনে করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাব করে বলা হয়, সরকারি ভৈরব কলেজ” (কারণ কলেজটি ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত) ‘সরকারি বেলফুলিয়া কলেজ” (স্থানীয়ভাবে পরিচিত পূর্ব নামানুসারে)। সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে এ বিভ্রান্তি দ্রুত নিরসন করে রূপসা কলেজকে রক্ষা করার ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন কলেজ কর্তপক্ষসহ শিক্ষকবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দীন, শিক্ষক প্রতিনিধি উদ্ধব চন্দ্র পাল, মোঃ ইমদাদুল হক, নাসরিন সুলতানা লিমা, সহকারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, শ্যামল কুমার দাস, সুলতান আহম্মেদ, নুসরাত জাহান মিলি, শেখ আরিফুজ্জামান, মোঃ শহিদুল্লাহ, রেজাউল করিম, কে এম বাসার, শিহাব উদ্দিন সহ শিক্ষকবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ