
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আরব-ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনটি দোহায় শুরু হয়, যা গত সপ্তাহে কাতারে হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে চালানো নজিরবিহীন ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় আয়োজন করা হয়েছে। ওই হামলায় নেতারা বেঁচে গেলেও, এটি একটি হত্যাচেষ্টার ঘটনা ছিল।
সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানি আরও বলেন, তার দেশের নাগরিকরা সারা বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি আগ্রাসনে বিস্মিত ও স্তম্ভিত হয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দোহায় একটি কাপুরুষোচিত হামলা চালানো হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল সেই বাড়ি, যেখানে হামাস নেতাদের পরিবার ও আন্দোলনের আলোচক দল বসবাস করছিলেন।
দোহা হামাস ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়েছিল এবং কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি সম্ভব হয়েছিল। আমির আরও বলেন ওই কাপুরুষোচিত হামলার সময় হামাস নেতৃত্ব আমেরিকার একটি প্রস্তাব নিয়ে চিন্তাভাবনা করছিল, যা তারা দোহা ও কায়রোর মাধ্যমে পেয়েছিল।
তিনি বলেন, ইসরায়েল গাজাকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলতে ও এর জনগণকে উচ্ছেদ করতে চায়। সেইসঙ্গে ইসরায়েল সিরিয়ার বিভাজনের দিকেও এগোচ্ছে, কিন্তু তাদের পরিকল্পনা সফল হবে না।
শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানি বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু স্বপ্ন দেখেন যে আরব অঞ্চল একদিন ইসরায়েলের প্রভাবাধীন অঞ্চলে পরিণত হবে, কিন্তু এটি এক ভয়ংকর বিভ্রম মাত্র।