July 25, 2026, 4:57 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

বেনাপোল সীমান্তে ছাত্রলীগ নেতাকে জনতা আটক করে পুলিশে দিল

যশোর প্রতিনিধি

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে ইমরান হোসেন নামে যশোর জেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত) এক নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সীমান্তে অবস্থান করছিলেন।

শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে স্থানীয় জনতা তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আটক ইমরান যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং যশোর এমএম কলেজ ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক।

এদিকে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাবি, ইমরান বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলামের বাড়িতে বোমা হামলার সময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে গত ৪ আগস্ট বিএনপির পার্টি অফিসে হামলার ঘটনায়ও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। এসব ঘটনার বিভিন্ন ফুটেজেও তাঁকে দেখা গেছে। শুক্রবার রাতে ভবেরবেড়ে তাঁকে সন্দেহজনকভাবে চলাচল করতে দেখে স্থানীয়রা প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে এমএম কলেজের কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী তাঁকে চিনে ফেলেন। একপর্যায়ে জড়ো হতে থাকে স্থানীয়রা ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাঁকে আটকে রেখে বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল মিয়া বলেন, ‘ইমরানকে যশোর কোতোয়ালি থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তরের জন্য পাঠানো হয়েছে।’ স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর থেকে বিভিন্ন অপরাধী ভারতে পালানোর জন্য দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রথমে সীমান্তের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে অবস্থান নেয়। পরে সুযোগ বুঝে ওপারে রাজনৈতিক আশ্রয়ে চলে যায়।

ইতিপূর্বে বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে। তবে বিভিন্ন জনকে ম্যানেজ করে অধিকাংশই পালিয়ে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ