July 25, 2026, 11:39 pm
শিরনাম :
পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান

“ডোপ টেস্টের” পরই চূড়ান্ত হবে জকসু নির্বাচনের প্রার্থীতা

ডেস্ক রিপোর্ট
ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক সব প্রার্থীর জন্য ডোপ টেস্ট বা মাদকাসক্তি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাতে নির্বাচনে প্রার্থীদের খসড়া আচরণবিধি প্রকাশ করে কমিশন।

নির্বাচন আচরণবিধির ‘ডোপ টেস্ট ও প্রার্থীতা বাতিল’ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, কমিশন প্রত্যেক প্রার্থীর মাদকাসক্তির বিষয়টি পরীক্ষা করবে। যদি কোনো প্রার্থী মাদকাসক্ত প্রমাণিত হন অথবা ডোপ টেস্টে অনুপস্থিত থাকেন, সেক্ষেত্রে তার প্রার্থীতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।

খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী যদি ফৌজদারি, আর্থিক, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা যৌন অপরাধে শাস্তিপ্রাপ্ত হন, তবে তিনি ভোটাধিকার ও প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি চলাকালীন সময়েও তিনি অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে শাস্তির মেয়াদ শেষে নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে মর্যাদা ফিরে পেলে তিনি পুনরায় ভোটার বা প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন।

সেই সাথে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রেও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে থসড়া আচরণবিধিতে। প্রার্থীকে তার বিভাগ, হল, শিক্ষাবর্ষ, উল্লেখযোগ্য কারিকুলাম ও কো-কারিকুলাম কার্যক্রম এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের যৌক্তিকতার বিবরণ উপস্থাপন করতে হবে। ক্লাস বা পরীক্ষার সময় কোনো শ্রেণিকক্ষে বা পরীক্ষার হলে প্রচারণা চালানো যাবে না। ক্যাম্পাসে সভা, সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন নিষিদ্ধ থাকবে এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া ২৫ জনের বেশি একসঙ্গে জমায়েত হওয়া যাবে না।

প্রচারণায় কোনো বহিরাগত ব্যক্তি অংশ নিতে পারবেন না। বৈধ ভোটার, প্রার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়া সবাইকে বহিরাগত হিসেবে গণ্য করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং উইকেন্ড বা প্রফেশনাল শিক্ষার্থীরাও কোনোভাবেই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে বা প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন না।

প্রচার সামগ্রী সম্পর্কে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণা কেবলমাত্র হ্যান্ডবিল বা প্রচারপত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে। কোনো প্রার্থী তার প্রচারপত্রে নিজের ছবি ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করতে পারবে না। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে কোনো ধরনের প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ধরনের যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রচারণা চালানো নিষিদ্ধ থাকবে। ভোটারদের খাবার, পানীয় বা উপঢৌকন প্রদান করা যাবে না। প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত চরিত্রহনন, বিদ্বেষমূলক বা উসকানিমূলক বক্তব্যদেয়া যাবে না।

ভোটগ্রহণের ২৪ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ স্পিকার বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবে না, তবে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ