September 16, 2026, 9:37 am
শিরনাম :
বটিয়াঘাটায় জৈব পদ্ধতিতে সবজি চাষ ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুস্ঠিত। বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন

দেলদুয়ারে জমি বিরোধে ভাইয়ের রাস্তায় বেড়িকেড, অবরুদ্ধ শিক্ষক পরিবার

মো. মনির হাসান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। এর জেরে ছোট ভাই সালামত উল্লাহ তার বড় ভাই, স্কুল শিক্ষক পানাউল্লাহ মিয়ার বাড়ির প্রবেশপথে টিনের বেড়িকেড তৈরি করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের রূপশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন (রোববার) বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রূপশী গ্রামের মৃত ফটিক মিয়ার দুই ছেলে—শাফিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক পানাউল্লাহ মিয়া ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক উপপরিচালক সালামত উল্লাহর মধ্যে বাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। কয়েক দফা গ্রাম্য সালিশ হলেও সালামত উল্লাহ কোনো সালিশের সিদ্ধান্ত মানেননি।

গ্রাম্য মাতব্বর নিশান মিয়া বলেন, শুক্রবার বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কিন্তু সালামত উল্লাহ ৩০-৪০ জন বহিরাগত লোক নিয়ে এসে টিন দিয়ে রাস্তা আটকে দেন। এটা অমানবিক কাজ।”
এ ঘটনায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, সালামত উল্লাহ নির্বাচন কমিশনে চাকরির সুবাদে নানা অনিয়ম ও অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন এবং সেই টাকায় এলাকায় বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে অতীতেও জমি দখল, প্রতারণা ও অগ্নিসংযোগসহ একাধিক মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

চাচাত ভাই মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান,
“সালামত উল্লাহ পরসম্পদ লোভী ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ছিলেন। এলাকার মানুষ তার নানা অপকর্মে অতিষ্ঠ।”
দেলদুয়ার সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের বলেন,

“দুই ভাইয়ের বিরোধ মেটাতে একাধিকবার বসেছি, কিন্তু ছোট ভাই সালামত উল্লাহর একগুঁয়েমির কারণে সমাধান আসেনি।”
অভিযোগ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সালামত উল্লাহ দাবি করেন, যে জায়গায় বেড়িকেড দিয়েছি, তা আমার শরিকদের কাছ থেকে ক্রয় করা জমি। অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেব খান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেহেতু বিষয়টি জমি সংক্রান্ত, তাই দুই পক্ষকেই আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ