July 26, 2026, 6:29 am
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

দেলদুয়ারে জমি বিরোধে ভাইয়ের রাস্তায় বেড়িকেড, অবরুদ্ধ শিক্ষক পরিবার

মো. মনির হাসান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। এর জেরে ছোট ভাই সালামত উল্লাহ তার বড় ভাই, স্কুল শিক্ষক পানাউল্লাহ মিয়ার বাড়ির প্রবেশপথে টিনের বেড়িকেড তৈরি করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের রূপশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন (রোববার) বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রূপশী গ্রামের মৃত ফটিক মিয়ার দুই ছেলে—শাফিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক পানাউল্লাহ মিয়া ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক উপপরিচালক সালামত উল্লাহর মধ্যে বাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। কয়েক দফা গ্রাম্য সালিশ হলেও সালামত উল্লাহ কোনো সালিশের সিদ্ধান্ত মানেননি।

গ্রাম্য মাতব্বর নিশান মিয়া বলেন, শুক্রবার বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কিন্তু সালামত উল্লাহ ৩০-৪০ জন বহিরাগত লোক নিয়ে এসে টিন দিয়ে রাস্তা আটকে দেন। এটা অমানবিক কাজ।”
এ ঘটনায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, সালামত উল্লাহ নির্বাচন কমিশনে চাকরির সুবাদে নানা অনিয়ম ও অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন এবং সেই টাকায় এলাকায় বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে অতীতেও জমি দখল, প্রতারণা ও অগ্নিসংযোগসহ একাধিক মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

চাচাত ভাই মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান,
“সালামত উল্লাহ পরসম্পদ লোভী ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ছিলেন। এলাকার মানুষ তার নানা অপকর্মে অতিষ্ঠ।”
দেলদুয়ার সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের বলেন,

“দুই ভাইয়ের বিরোধ মেটাতে একাধিকবার বসেছি, কিন্তু ছোট ভাই সালামত উল্লাহর একগুঁয়েমির কারণে সমাধান আসেনি।”
অভিযোগ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সালামত উল্লাহ দাবি করেন, যে জায়গায় বেড়িকেড দিয়েছি, তা আমার শরিকদের কাছ থেকে ক্রয় করা জমি। অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেব খান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেহেতু বিষয়টি জমি সংক্রান্ত, তাই দুই পক্ষকেই আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ