September 15, 2026, 2:55 pm
শিরনাম :
বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

যশোর বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরার ফাহিম বাঁচতে চায়

মোঃওবাইদুল হক, যশোর প্রতিনিধি

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাঁচতে চায় ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত সাজিম আক্তার ফাহিম (১০)। পাঁচ লাখ টাকা হলেই তার অপারেশন সম্ভব।

কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় সেটি অসম্ভব হয়ে পড়েছে।ফাহিম যশোরের খাজুরার স্থানীয় বন্দবিলা ইউনিয়নের ঘোপদূর্গাপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে। সে ঘোপদূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ফাহিমের মা মুক্তি খাতুন জানান, ১ মাস আগে শারীরিক সমস্যা দেয় ফাহিমের। জ্বর জ্বর লাগে, বমি ও মাঝে মাঝে প্রচণ্ড মাথাব্যাথা হয়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার পর যশোরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখানো হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফাহিমের রক্তে ইনফেকশন শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সিটিস্ক্যান রিপোর্টে ব্রেইনে টিউমার ধরা পড়ে।

ফাহিমের বাবা আমিরুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে ফাহিমের চোখ বুঁজে আসছে। জোর করেও তাকিয়ে থাকতে পারে না। দেখতেও পারছে না ঠিকমতো। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ধানমণ্ডির গ্রিণ লাইফ হাসপাতাল নেওয়া হলে দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা৷ দেরি হলে টিউমার থেকে ক্যানসার হতে পারে।

আমিরুল পেশায় একজন দোকান কর্মচারী। তার দুই ছেলের মধ্যে ফাহিম ছোট। বড় ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক শাহ আলম (১৫) কয়েকদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে। আর মুনিয়া নামে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানও রয়েছে আমিরুল দম্পত্তির।

ঘোপদূর্গাপুর সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে তাদের বসবাস। ছেলের ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার খবরে এখন দিশেহারা ফাহিমের পরিবার। ইতিমধ্যে সন্তানের চিকিৎসার জন্য ধারদেনা করে ১ লাখ টাকা যোগাড় করতে পেরেছেন ফাহিমের বাবা৷ অপারেশনের বাকি ৪ লাখ টাকা তার পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব নয়। এখন প্রাণপ্রিয় সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান মানুষের দিকে তাকিয়ে আছে ফাহিমের পরিবার।

সবাই মিলে এগিয়ে এলে এই পরিমাণ অর্থ যোগাড় করা হয়তো অতটা কঠিন হবে না৷ ফাহিমকে বাঁচাতে তার বাবা আমিরুলের বিকাশ ও নগদ ০১৭৯০-০৫৩৭৮২ নম্বরে আপনার সহায়তা পৌঁছে দিতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ