September 15, 2026, 3:46 pm
শিরনাম :
বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

বি. এম জুলফিকার রায়হান, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাখিমারা টিআরএম বিলের ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের ফসলের ক্ষতিপূরণ বাবদ সরকারের নিকট পাওনা ৪৮ কোটি টাকা আদায় এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে তালা উপজেলার পাখিমারা টিআরএম বিল সংলগ্ল বালিয়া বটতলায় অধিবাসী ও বিল কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বিল কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম। বিল কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ সানার পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. লিয়াকত হোসেন, তালা উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, ভুক্তভোগী আছাদুল ইসলাম, আবু সাইদ লাভলু, তোফায়েল হোসেন, মনোরঞ্জন দাস, ইউনুচ সরদার, রইজুল সানা, খোকন সানা ও ছবেদ সরদার প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, কপোতাক্ষ নদ থেকে বালিয়া বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত পেরিফেরিয়াল বাঁধের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় নদীর পানি অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবেশ করছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। দ্রুত বাঁধ সংস্কার করা না হলে জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

তারা আরও বলেন, পাখিমারা বিলে টানা ছয় বছর টিআরএম কার্যক্রম চালু থাকলেও ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের মাত্র দুই বছরের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। বাকি চার বছরের ক্ষতিপূরণ এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অনুমোদিত বরাদ্দ অনুযায়ী সরকারের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের পাওনা প্রায় ৪৮ কোটি টাকা। মানববন্ধন থেকে- বকেয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ, পেরিফেরিয়াল বাঁধের সংস্কার এবং স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

এ সময় পেরিফেরিয়াল বাঁধ নির্মাণ এবং সংযোগ খাল খনন করা হয়। পরে ২০১৫ সাল থেকে দুই বছরের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হলেও ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ছয় বছর ১ হাজার ৫৬২ একর জমিতে জোয়ার-ভাটা চালু ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতি থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দুই বছরের অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি চার বছরের প্রায় ৪৮ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ