April 22, 2026, 11:35 am
শিরনাম :
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কো প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ঢাকাস্থ জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনয়নপত্র জমা চট্টগ্রামে সরকারি সিটি কলেজের ঘটনায় জামায়াতের বিবৃতি মাভাবিপ্রবিতে বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষা শুরু রাজশাহী মেডিক্যালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরম ক্ষোভ, ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ভোগান্তি বেড়েছে রাউজানে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘বাঘের মেলা’ অনুষ্ঠিত: লোকজ উৎসবে জনস্রোত ফরিদপুরে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিলেন আওয়ামীলীগ কর্মীরা রাজারহাটে মরণব্যাধি ক্যানসার আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

রাজারহাটে মরণব্যাধি ক্যানসার আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় এক নবদম্পতির কোল আলোকিত করতে আল্লাহর রহমতে জন্মগ্রহণ করেছিল ছোট্ট শিশু ফাহিম আহমেদ(৫)।

ফাহিমের জন্মের পরে হাসি-আনন্দে ভরে উঠেছিল পরিবার।হঠাৎ করেই বিষাদ নেমে আসে-ফাহিমের শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধী ব্লাড ক্যান্সার।

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম আহমেদ রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক আষারু গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও ফেন্সি আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।

পরিবার জানায়, এক বছর আগে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে ডাক্তারী পরীক্ষায় ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।
বাবাসহ পরিবার শিশু ফাহিম আহমেদকে বাঁচাতে প্রাণপণ চেষ্টা চালায়।

মোবাইল মেকানিক বাবা মিজানুর রহমান নিজের দোকানসহ সব মালপত্র বিক্রি করে দেন। এরপর এনজিও থেকে ৫ লাখ টাকা ঋণ নেন।তাতেও কুলাতে না পেরে বসতবাড়ি ব্যাংকে বন্ধক রেখে আরও ৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন।

আত্মীয়স্বজন ও কিছু সহৃদয় মানুষের সহায়তায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে ফাহিমের চিকিৎসায়। দীর্ঘ ১০ মাস চিকিৎসার পর এখন কিছুটা সুস্থতার দিকে এগোচ্ছে ফাহিম।

চিকিৎসকদের মতে,নিয়মিত আরও দেড় বছর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারলে সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। কিন্তু সেই পথেই এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থসংকট।

বর্তমানে কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় ইনজেকশনের খরচ জোগাড় করাই কঠিন হয়ে পড়েছে পরিবারের জন্য। চিকিৎসা সম্পন্ন করতে এখন প্রয়োজন প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা-যা এই পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব।

ফাহিমের বাবা মিজানুর রহমান ও মা ফেন্সি বেগম জানান, “আমার ছেলেটা এখন অনেকটাই সুস্থতার দিকে।আরও কিছুদিন চিকিৎসা চালাতে পারলে পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু আমাদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সরকারি সহয়তারো যোগান অপ্রতুল। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি> ০১৭৬৭২৮০০১১.

দাদি মমতা বেগম ও দাদা আব্বাস বলেন, নাতিটাকে বাঁচাতে সব শেষ করে ফেলেছি। এখন আল্লাহর রহমত ও আপনাদের সহায়তা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।”

ছোট্ট ফাহিম বলে আমার অসুখ,আমি বেঁচে থাকতে চাই, স্কুলে নিয়মিত যেতে চাই,দোয়া করবেন।

ফাহিমের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে সহায়তার জন্য সবার কাছে আবেদন জানিয়েছে তার বাবা-মা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ