July 25, 2026, 5:43 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

বাগেরহাটে চা দোকানির এক মাসে বিদ্যুৎ বিল ৩ লাখ টাকা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

উপজেলার লখপুর বাজারের এক চা দোকানির বিদ্যুৎ বিল এক মাসে দাঁড়িয়েছে অবিশ্বাস্য ৩ লাখ ১ হাজার ৭৪৬ টাকা। হঠাৎ এ ভুতুরে বিল পেয়ে হতবাক হয়ে পড়েছেন দোকানি অপূর্ব কুন্ডু ও তার পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লখপুর বাজারের এক কক্ষের ছোট্ট চায়ের দোকানটি বহু বছর ধরে চালিয়ে আসছে কুন্ডু পরিবার। বর্তমানে দোকানটি পরিচালনা করেন অপূর্ব কুন্ডু, তার মা তপতী রানী কুন্ডু ও স্ত্রী। দোকানে রয়েছে মাত্র দুটি বাল্ব, একটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজ। এর আগে নিয়মিত প্রতি মাসে ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসতো। গত মাসে অতিরিক্ত বিল এসেছিল ১ হাজার ৮৭৬ টাকা যা ফকিরহাট জোনাল অফিসে সংশোধনের পর ৩১৬ টাকা করা হয়।

কিন্তু চলতি মাসে যখন বিল হাতে পান, তাতে দেখা যায় ৩ লাখ টাকার বেশি। এ বিল দেখে হতভম্ব হয়ে যান অপূর্ব কুন্ডু ও তার পরিবার। বিষয়টি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা এসে বিলটি নিয়ে যান।

অপূর্ব কুন্ডু বলেন, এতদিন নিয়মিত বিল দিয়েছি। হঠাৎ করে কয়েক মাস ধরে অতিরিক্ত বিল আসছে। এবার তো কোটি টাকার মতো বিল এসেছে। এতে আমরা ভীষণ ভোগান্তিতে পড়েছি। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ভুল আর না হয় সে জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শুধু অপূর্ব কুন্ডু নন লখপুর এলাকার আরও অনেক গ্রাহকের নামেও এভাবে অতিরিক্ত বা ভুতুরে বিল আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রাহকদের দাবি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা মিটার না দেখে অনুমাননির্ভর বিল তৈরি করায় এ ধরনের ভোগান্তি হচ্ছে।

এ বিষয়ে ফকিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহা ব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আনন্দ কুমার কুন্ডু বলেন,
বিলিং সহকারীর ভুলের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে ভুলটি সংশোধন করে অপূর্ব কুন্ডুর হাতে ৩১০ টাকার বিল দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিলিং সহকারীকে শোকজ করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বাগেরহাট সদর উপজেলার বৈটপুর গ্রামের চা দোকানি তাইজুল ইসলামের নামে ১৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকার বিল করা হয়েছিল। অথচ তার প্রকৃত বিল ছিল মাত্র ১৬২ টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ