September 15, 2026, 3:14 pm
শিরনাম :
বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে মইনীয়া যুব ফোরামের মানববন্ধন

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

দেশে সাম্প্রতিক সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অরাজনৈতিক যুব সংগঠন মইনীয়া যুব ফোরাম।

এ পরিস্থিতির প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক-এ-মইনুদ্দীন আল হাসানী। এতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে বক্তব্য প্রদান করেন।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যক্তির নিরাপত্তা এবং সামাজিক সম্প্রীতি আজ হুমকির মুখে। ভিন্নমতের মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন মাজার, খানকা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার—নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার—কে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বলেন, মানবাধিকার রক্ষা এবং একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার জন্য জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে মাজার, খানকা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে তারা উল্লেখ করেন।

এ লক্ষ্যে তারা সরকারের কাছে ৭ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবগুলো হলো—
১. সকল নাগরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাজার ও খানকার নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উপস্থিতি ও নজরদারি বৃদ্ধি।
২. সহিংসতা, বিদ্বেষ ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা।
৩. চুরি, ডাকাতি, খুন ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
৪. মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান।
৫. সামাজিক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদার করা।
৬. সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান।
৭. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি।

বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ, মানবাধিকার রক্ষা এবং মাজার-খানকাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ