April 22, 2026, 8:42 am
শিরনাম :
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কো প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ঢাকাস্থ জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনয়নপত্র জমা চট্টগ্রামে সরকারি সিটি কলেজের ঘটনায় জামায়াতের বিবৃতি মাভাবিপ্রবিতে বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষা শুরু রাজশাহী মেডিক্যালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে চরম ক্ষোভ, ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে ভোগান্তি বেড়েছে রাউজানে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘বাঘের মেলা’ অনুষ্ঠিত: লোকজ উৎসবে জনস্রোত ফরিদপুরে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিলেন আওয়ামীলীগ কর্মীরা রাজারহাটে মরণব্যাধি ক্যানসার আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়- ইরানের

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, এই প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ চলাচল করতে পারবে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা তাস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবনার একটি শর্ত হিসেবে এ সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে সংযুক্তকারী হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রণালির একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান অবস্থিত। বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের মোট সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৪০টি জাহাজ চলাচল করলেও গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর ইরান এই প্রণালিতে অবরোধ জারি করে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে সংকট তৈরি হয়, যার প্রভাব এখনো অব্যাহত রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি শুধু জ্বালানি তেল নয়, সার, পেট্রোকেমিক্যালসহ বিভিন্ন পণ্যের বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ রুট। সংঘাতের কারণে এসব পণ্যের বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। এই সময়ের মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসবেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা এবং ইরানের ১০ দফা শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

তাস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে ইরান জানিয়েছে, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ চলাচল করতে পারবে এবং সেগুলোর চলাচল ইরানের অনুমোদন ও নির্দিষ্ট প্রোটোকলের আওতায় নিয়ন্ত্রিত হবে।

এ ছাড়া জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করবে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। উপসাগরীয় অন্যান্য দেশকেও এ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাস-কে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এখন থেকে কঠোরভাবে ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে এবং নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

সূত্র: তাস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ