আর ক’দিন বাদেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। কলাপাড়া পৌরশহর সহ উপজেলার সর্বত্র কেনা-কাটায় ব্যস্ত মানুষ। বিশেষ করে ফ্যাশনেবল এমিটি গহনার দোকান, পাদুকালয়, বস্ত্রবিপনী এবং টেইলার্সের দোকান গুলোতে।
সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয় কেনা কাটা চলে রাত ১০টা পর্যন্ত। এসব দোকান পাটের মধ্যে সন্ধ্যা বেলায় অস্বাভাবিক ভীড় থাকে এমিটি স্বর্নের দোকান গুলোয়। কেউ কিনছে,কেউ দেখছে,কেউ বা করছে দরকষাকষি।
এসব ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ীরা পৌরশহরের সুতাপট্রি এলাকায় ১০ রমজানের পর থেকে অন্যর দোকানের সামনে খালি জায়গা ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করছে তাদের ব্যবসা। চলবে ঈদ অব্দি।জায়গার পরিমান অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারন করছেন জায়গায় মালিকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বছর সর্বনিন্ম ভাড়া ছয় হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৪৫ হাজার টাকা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কিশোরী, মধ্যবয়স্ক এমনকি শিশুরাও আসছে তাদের কাংখিত গহনাটি কিনতে।

বিক্রেতারা জানান, তামা, দস্তা,পিতল কিংবা বিভিন্ন ধাতু দিয়ে তৈরী এই গহনার উপর স্বর্নের রং এর প্রলেপ দিয়ে আকর্ষনীয় করা হয় এই গহনা গুলো। বিশেষ করে রাতের আলোক সজ্জায় এগুলো হয়ে ওঠে আরো মনোগ্রাহী।
রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া এলাকা থেকে গহনা কিনতে আসা মোসাঃ সাবিনা বেগম বলেন’ গরীব মানুষ কি আর করমু, আমাগো এই গয়নাই সোনা। সাধ্য না থাকলে যা হয়।
একই এলাকার অপর এক ক্রেতা মোসা.খাদিজা বেগম জানান, বাচ্চাদের আবদার পূরনে এই মার্কেট আমাগো উপযোগী মার্কেট। কম দামে মিলছে বলেও এক ধরনের শান্তি।
এদিকে, এক বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন’ ঢাকার চক বাজার থেকে এ গুলো কিনে আনা হয়। এতে লাভ হতে পারে নাও হতে পারে। তবে অবিক্রিত মাল গুলো আগামী ঈদুল আযহা কিংবা পরবর্তী বছরের জন্য যত্নসহকারে রেখে দেয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।