September 15, 2026, 4:30 pm
শিরনাম :
বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে দুইশ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার (ভল্ট) থেকে সুমন কুমার দাস নামে এক ব্যবসায়ীর অন্তত দুইশ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী সড়কের পূবালী ব্যাংক পিএলসি শাখায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনা জানাজানি হলে বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী ব্যাংকটি পরিদর্শন করেন। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়া ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

সুমন কুমার দাস জানান, বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকে তার একটি লকার রয়েছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর তার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ কয়েকজন আত্মীয়ের দুইশ ভরির বেশি স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। বুধবার তাদের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান থাকায় তিনি ব্যাংকে এসে লকার খুলে দেখেন ভেতরে কোনো স্বর্ণালংকার নেই। লকার সম্পূর্ণ খালি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

পূবালী ব্যাংকের গ্রাহক মাহফুজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে এক গ্রাহকের স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার খবর পেয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারও এই ব্যাংকের লকারে স্বর্ণালংকার রাখা রয়েছে। তাই তিনি এসে নিজের লকার খুলে পরীক্ষা করেন। তবে তার স্বর্ণালংকার সব ঠিকঠাক আছে।

পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাগেরহাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন বলেন, এক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন যে তার কিছু মালামাল লকারে রাখা ছিল, যা তিনি এখন দেখতে পাচ্ছেন না। এ ঘটনার পরপরই পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ এসে বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন জানান, সুমন দাস নামে এক গ্রাহকের ব্যাংকের লকারে রাখা স্বর্ণালংকার পাওয়া যাচ্ছে না—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তারা ব্যাংকে আসেন। ব্যাংকের লকার পরিদর্শন করা হয়েছে। কীভাবে ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে এত বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ