July 25, 2026, 4:54 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

বাগেরহাটের নামকরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এখন ইলিশের দেখা মিলছেনা

বার্তা সম্পাদক

বাগেরহাটের নামকরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কেবিতে ভরা মৌসুমে ইলিশের দেখা মিলছে না। যেখানে প্রতিদিন কোটি টাকার ইলিশ পাইকারি দরে বিক্রি হতো।জেলেদের মুখে লেগে থাকতো আনন্দের হাসি। এবার সে চিত্র পুরা উল্টো। মিলছে না সাগরে কাঙ্খাত ইলিশ। সাগরে গিয়ে জেলেরা ফিরছে এক প্রকার খালি হাতে। ইলিশের এখন ভরা মৌসুম। কিন্তু জেলেরা হতাশায় দিন পার করছেন।

কেবি বাজার মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক অনুপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, কোটি টাকা দাদন দিয়েও জেলের জালে যে পরিমাণ মাছ পাওয়ার কথা, সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। ইলিশের এই ভরা মৌসুমে অনেকটাই ব্যর্থ লোকশানের মুখে।

জানা গেছে, কেবি বাজারে ভোর সাড়ে ৫ টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত মাছ কেনাবেচা হয়। জেলার বাইরে গোপালগঞ্জ, পাবনা, ঈশ্বরদী, যশোর, রাজশাহী থেকেও ব্যবসায়ীরা এখানের বাজার থেকে মাছ কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যান বেশি দাম পাওয়ার আশায়।

শুক্রবার সকালে এক পোন ইলিশ (৮০ পিস) বাজারে পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৮৪ হাজার ১ শ টাকা দরে। এর মধ্যে ১ কেজি ইলিশ রয়েছে ৮ থেকে ১০টি। প্রতি কেজির দাম ১৩ শ টাকা। এছাড়া ৫ থেকে ৬ টিতে এক কেজি ধরে এমন জাটকা ইলিশ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৫ শ টাকা দরে।

 

পাইকারি ব্যবসায়ী মো. আজমল বাসসকে জানান, এক কেজি ইলিম বাজারে খুচরা বিক্রি হবে ১৭ শ টাকা কেজি দরে। আর ব্যবসায়ী মালেক জানান, কচুয়া ভাষা বাজারে জাটকা ইলিশ খুচরা বিক্রি হয় সাড়ে ৬ শ টাকা থেকে ৭ শ টাকা কেজি দরে।

মহিপুর, আলিপুর, পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশের দাম একটু কম হওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে পিকআপে ককসিটে ভরে ইলিশ পাঠানো হয় কেবি আড়তে। ১ কেজি থেকে দেড় কেজি ইলিশ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৭ শ থেকে ১৯ শ টাকা কেজি দরে।

মাঝি ময়েন জানান, কেবি বাজারে শুক্রবার ৭ থেকে ৮ টি ট্রলার ভর্তি মাছ সাগর থেকে এসেছে। আমি যে মাছ পেয়েছি সেগুলো ৫ লাখ টাকা বিক্রি হলেও দেনা শোধ করতে পারবো না।

ট্রলার মাঝি মো ইলিয়াস জানান, প্রতি ট্রলারে জ্বালানি তেল, বরফ , বাজার খরচ লেগে যায় আড়াই লাখ টাকা। ট্রলারে মাঝিমাল্লা মিলে স্টাফের সংখ্যা ১৮ জন। তাদের প্রত্যেককে অগ্রিম ও ঘাটে এলে বাড়ির জন্য টাকা দিতে হয়। সব মিলিয়ে তার লোকশান না হলেও এখনো লাভের মুখ দেখেননি।

তবে আড়তদার, ব্যবসায়ী, ট্রলার মাঝির প্রত্যাশা আরও দুই তিনটি ট্রিপে মাছ পাওয়া। এতে লোকশান কাটিয়ে তারা লাভের মুখ দেখতে পারবেন বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ