October 30, 2026, 9:39 pm
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

বাগেরহাটের নামকরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এখন ইলিশের দেখা মিলছেনা

বার্তা সম্পাদক

বাগেরহাটের নামকরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কেবিতে ভরা মৌসুমে ইলিশের দেখা মিলছে না। যেখানে প্রতিদিন কোটি টাকার ইলিশ পাইকারি দরে বিক্রি হতো।জেলেদের মুখে লেগে থাকতো আনন্দের হাসি। এবার সে চিত্র পুরা উল্টো। মিলছে না সাগরে কাঙ্খাত ইলিশ। সাগরে গিয়ে জেলেরা ফিরছে এক প্রকার খালি হাতে। ইলিশের এখন ভরা মৌসুম। কিন্তু জেলেরা হতাশায় দিন পার করছেন।

কেবি বাজার মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক অনুপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, কোটি টাকা দাদন দিয়েও জেলের জালে যে পরিমাণ মাছ পাওয়ার কথা, সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। ইলিশের এই ভরা মৌসুমে অনেকটাই ব্যর্থ লোকশানের মুখে।

জানা গেছে, কেবি বাজারে ভোর সাড়ে ৫ টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত মাছ কেনাবেচা হয়। জেলার বাইরে গোপালগঞ্জ, পাবনা, ঈশ্বরদী, যশোর, রাজশাহী থেকেও ব্যবসায়ীরা এখানের বাজার থেকে মাছ কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যান বেশি দাম পাওয়ার আশায়।

শুক্রবার সকালে এক পোন ইলিশ (৮০ পিস) বাজারে পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৮৪ হাজার ১ শ টাকা দরে। এর মধ্যে ১ কেজি ইলিশ রয়েছে ৮ থেকে ১০টি। প্রতি কেজির দাম ১৩ শ টাকা। এছাড়া ৫ থেকে ৬ টিতে এক কেজি ধরে এমন জাটকা ইলিশ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৫ শ টাকা দরে।

 

পাইকারি ব্যবসায়ী মো. আজমল বাসসকে জানান, এক কেজি ইলিম বাজারে খুচরা বিক্রি হবে ১৭ শ টাকা কেজি দরে। আর ব্যবসায়ী মালেক জানান, কচুয়া ভাষা বাজারে জাটকা ইলিশ খুচরা বিক্রি হয় সাড়ে ৬ শ টাকা থেকে ৭ শ টাকা কেজি দরে।

মহিপুর, আলিপুর, পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশের দাম একটু কম হওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে পিকআপে ককসিটে ভরে ইলিশ পাঠানো হয় কেবি আড়তে। ১ কেজি থেকে দেড় কেজি ইলিশ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৭ শ থেকে ১৯ শ টাকা কেজি দরে।

মাঝি ময়েন জানান, কেবি বাজারে শুক্রবার ৭ থেকে ৮ টি ট্রলার ভর্তি মাছ সাগর থেকে এসেছে। আমি যে মাছ পেয়েছি সেগুলো ৫ লাখ টাকা বিক্রি হলেও দেনা শোধ করতে পারবো না।

ট্রলার মাঝি মো ইলিয়াস জানান, প্রতি ট্রলারে জ্বালানি তেল, বরফ , বাজার খরচ লেগে যায় আড়াই লাখ টাকা। ট্রলারে মাঝিমাল্লা মিলে স্টাফের সংখ্যা ১৮ জন। তাদের প্রত্যেককে অগ্রিম ও ঘাটে এলে বাড়ির জন্য টাকা দিতে হয়। সব মিলিয়ে তার লোকশান না হলেও এখনো লাভের মুখ দেখেননি।

তবে আড়তদার, ব্যবসায়ী, ট্রলার মাঝির প্রত্যাশা আরও দুই তিনটি ট্রিপে মাছ পাওয়া। এতে লোকশান কাটিয়ে তারা লাভের মুখ দেখতে পারবেন বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ