September 15, 2026, 1:30 pm
শিরনাম :
বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটের নামকরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এখন ইলিশের দেখা মিলছেনা

বার্তা সম্পাদক

বাগেরহাটের নামকরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কেবিতে ভরা মৌসুমে ইলিশের দেখা মিলছে না। যেখানে প্রতিদিন কোটি টাকার ইলিশ পাইকারি দরে বিক্রি হতো।জেলেদের মুখে লেগে থাকতো আনন্দের হাসি। এবার সে চিত্র পুরা উল্টো। মিলছে না সাগরে কাঙ্খাত ইলিশ। সাগরে গিয়ে জেলেরা ফিরছে এক প্রকার খালি হাতে। ইলিশের এখন ভরা মৌসুম। কিন্তু জেলেরা হতাশায় দিন পার করছেন।

কেবি বাজার মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক অনুপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, কোটি টাকা দাদন দিয়েও জেলের জালে যে পরিমাণ মাছ পাওয়ার কথা, সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। ইলিশের এই ভরা মৌসুমে অনেকটাই ব্যর্থ লোকশানের মুখে।

জানা গেছে, কেবি বাজারে ভোর সাড়ে ৫ টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত মাছ কেনাবেচা হয়। জেলার বাইরে গোপালগঞ্জ, পাবনা, ঈশ্বরদী, যশোর, রাজশাহী থেকেও ব্যবসায়ীরা এখানের বাজার থেকে মাছ কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যান বেশি দাম পাওয়ার আশায়।

শুক্রবার সকালে এক পোন ইলিশ (৮০ পিস) বাজারে পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৮৪ হাজার ১ শ টাকা দরে। এর মধ্যে ১ কেজি ইলিশ রয়েছে ৮ থেকে ১০টি। প্রতি কেজির দাম ১৩ শ টাকা। এছাড়া ৫ থেকে ৬ টিতে এক কেজি ধরে এমন জাটকা ইলিশ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৫ শ টাকা দরে।

 

পাইকারি ব্যবসায়ী মো. আজমল বাসসকে জানান, এক কেজি ইলিম বাজারে খুচরা বিক্রি হবে ১৭ শ টাকা কেজি দরে। আর ব্যবসায়ী মালেক জানান, কচুয়া ভাষা বাজারে জাটকা ইলিশ খুচরা বিক্রি হয় সাড়ে ৬ শ টাকা থেকে ৭ শ টাকা কেজি দরে।

মহিপুর, আলিপুর, পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশের দাম একটু কম হওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে পিকআপে ককসিটে ভরে ইলিশ পাঠানো হয় কেবি আড়তে। ১ কেজি থেকে দেড় কেজি ইলিশ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৭ শ থেকে ১৯ শ টাকা কেজি দরে।

মাঝি ময়েন জানান, কেবি বাজারে শুক্রবার ৭ থেকে ৮ টি ট্রলার ভর্তি মাছ সাগর থেকে এসেছে। আমি যে মাছ পেয়েছি সেগুলো ৫ লাখ টাকা বিক্রি হলেও দেনা শোধ করতে পারবো না।

ট্রলার মাঝি মো ইলিয়াস জানান, প্রতি ট্রলারে জ্বালানি তেল, বরফ , বাজার খরচ লেগে যায় আড়াই লাখ টাকা। ট্রলারে মাঝিমাল্লা মিলে স্টাফের সংখ্যা ১৮ জন। তাদের প্রত্যেককে অগ্রিম ও ঘাটে এলে বাড়ির জন্য টাকা দিতে হয়। সব মিলিয়ে তার লোকশান না হলেও এখনো লাভের মুখ দেখেননি।

তবে আড়তদার, ব্যবসায়ী, ট্রলার মাঝির প্রত্যাশা আরও দুই তিনটি ট্রিপে মাছ পাওয়া। এতে লোকশান কাটিয়ে তারা লাভের মুখ দেখতে পারবেন বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ