July 25, 2026, 5:43 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

বাগেরহাটে স্বেচ্ছাশ্রমে জেল খানা পুকুরের কচুরিপানা পরিস্কার

তরফদার রবিউল ইসলাম

বাগেরহাট শহরের প্রাণকেন্দ্র পুরাতন জেল খানা পুকুরে থাকা কচুরিপানা স্বেচ্ছাশ্রমে পরিস্কার শুরু করেছেন রেডক্রিসেন্ট সদস্যরা।

শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) সকালে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। এসময়, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাগেরহাট ইউনিটের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাহিদুল আলম রবি, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুটুলসহ রেডক্রিসেন্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন পরে হলেও  রেডক্রিসেন্ট সদস্যদের এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ মামুন বলেন, পুকুরটি আমাদের জন্য খুব প্রয়োজন। এই পুকুর থেকেই আমরা নিত্য প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণ করি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পানির সমস্য থাকালেও, সমাধানে কেউ এগিয়ে আসেনি। রেডক্রিসেন্ট সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমে কচুরিপানা পরিস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছে, এজন্য আমরা খুবই আনন্দিত।

বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাগেরহাট ইউনিটের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাহিদুল আলম রবি বলেন, সকাল থেকে রেডক্রিসেন্টের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কচুরীপানা পরিস্কার শুরু করেছেন। ধারণা করছি বিকেল নাগাদ পুকুরের কচুরীপানা পরিস্কার সম্পন্ন হয়ে যাবে। ভবিষ্যতে শহরের সকল জলাশয়ে পানি যাতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে সেই ব্যবস্থা করা হবে। সেই সাথে হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দিরসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশ পরিস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।

বাগেরহাট শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত পুকুরটি শহরের জন্য নানা কারণেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুকুরের পূর্বপাশে পুরাতন শিল্পকলা, পশ্চিমে পুরাতন জেলখানা জামে মসজিদ, দক্ষিনে স্বাধীনতা উদ্যান এবং উত্তরে শহীদ মিনার। তিনপাশে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রয়েছে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে এই পুকুরের আশপাশের বাসিন্দা ও হোটেল-রেস্টুরেন্টে এই পুকুরের পাহি ব্যবহার করতেন। এরপরে ৬ বছরের বেশি সময় ধরে পুকুরটি কচুরিপানায় পরিপূর্ণ ছিল। যার ফলে বাধ্য হয়ে জেলখানা মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লীরা দূষিত পাহিতে অজু করতেন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা এই পানি ব্যবহার করতেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ