July 26, 2026, 3:58 am
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি

মালয়েশিয়ার শিল্পখাতে কর্মী-চাহিদা মেটাতে বৈধ প্রক্রিয়ায় নতুন করে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সরকার।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। বিদেশি কর্মীদের অধিকার সুরক্ষিত করা এবং কর্মী নিয়োগে একটি নিয়ন্ত্রিত ও সুশৃঙ্খল প্রবাহ নিশ্চিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবার।

জানা গেছে, সাতটি প্রধান খাত এবং একটি বিশেষ বিভাগে বিদেশী কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকার। খাতগুলো হলো— নির্মাণ, পরিষেবা, কৃষি, বৃক্ষরোপণ, উৎপাদন, খনন ও কোয়ারিং, নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ এবং বিশেষ বিভাগে বিদেশি গৃহকর্মী নিয়োগ।

মোট ১৫টি উৎস দেশ থেকে কর্মী নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, লাওস, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, তুর্কমেনিস্তান, ফিলিপাইন, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম।

তবে, বিদেশি গৃহকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে উৎস দেশের তালিকা কিছুটা ভিন্ন। শুধুমাত্র কম্বোডিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, নেপাল, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম— এই ৯টি দেশ থেকে গৃহকর্মী আনা হবে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ এবার বিশেষভাবে বৈধ ও সুশৃঙ্খল উপায়ে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। এই প্রক্রিয়ার মূল্য লক্ষ্য বিদেশি কর্মীদের যেকোনো ধরনের নির্যাতন বা অন্যায্য আচরণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা, নিয়োগকর্তা ও কর্মী উভয় পক্ষের অধিকার ও দায়িত্ব সুরক্ষিত করার জন্য একটি স্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি, দেশটিতে প্রবেশ করা কর্মীরা যেন বৈধ হয় এবং দেশের অভিবাসন ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সমস্ত নিয়মকানুন মেনে চলে তা নিশ্চিত করা।

এই তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ এবং নিয়ন্ত্রণাধীন করার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল মালয়েশিয়া সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ