July 25, 2026, 8:26 pm
শিরনাম :
পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান

পাবনা বিআরটিসি ডিজিএমকে জড়িয়ে অপপ্রচার তদন্তে ফাঁস চক্র, অপপ্রচারকারীর ক্ষমা প্রার্থনা

জুবায়ের খান প্রিন্স, পাবনা প্রতিনিধি

পাবনা বিআরটিসি ডিপোর উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বাবুকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার ও অভিযোগের নাটক শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেছে।

তদন্তে উঠে এসেছে—চালকদের একাংশের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে প্রশাসনিক কড়াকড়ি চালু করায় ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকেই ডিজিএমকে হেয় করার পরিকল্পিত প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছিল।

তথ্য মতে, প্রতি দুইটি বিআরটিসি বাসে গড়ে তিনজন চালক থাকার নিয়ম থাকলেও পাবনায় রয়েছে তারও বেশি। ফলে একটি বাসের এক ট্রিপ শেষ করে পরদিন বিশ্রাম—কেউ কেউ আবার টানা দু’দিনও ছুটি পান।

এত সুবিধা সত্ত্বেও কয়েকজন চালক হাজিরা না দিয়ে, ছুটি না নিয়ে, কোনো যোগাযোগ ছাড়াই দিনের পর দিন অনুপস্থিত ছিলেন। হাজিরা খাতা পরীক্ষা করে তাদের অনুপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী বেতন কর্তনে ক্ষুব্ধ হন তারা।

নিয়মভঙ্গকারী চালকদের তালিকায় নুর আলম–মাহাবুলসহ কয়েকজন।

তদন্তে উঠে এসেছে—চালক-সি মো. নুর আলম– বদলি হয়ে কুষ্টিয়া যোগদানের নির্দেশ উপেক্ষা করে আবার পাবনায় অবস্থান।

চালক-সি মাহাবুল আলম– ট্রিপের টাকা অফিসে জমা না দিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার হিসাব গোপন। দীর্ঘদিন অফিসেও অনুপস্থিত।

গোলাম মোস্তফা-২, সিরাজুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, হাসান মতিউর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, নুরুজ্জামান ইমন ও কন্ট্রাক্টর কামরুল হাসান– কথিত আন্দোলন, ডেমারেজ ও জরিমানা এড়ানো, এমনকি ইচ্ছাকৃতভাবে যন্ত্রাংশ নষ্ট করে সরকারের ক্ষতি সাধনের অভিযোগ রয়েছে।

ডিজিএম স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ন্ত্রণে অফিসিয়াল রিপোর্ট হেড অফিসে পাঠানো মাত্রই তাদের ক্ষোভ চরমে ওঠে। এরপরই তাকে জড়িয়ে নারী কেলেঙ্কারির ভুয়া গল্প বানিয়ে প্রচার শুরু হয়—যা সামাজিকভাবে তাকে হেয় করার সুস্পষ্ট চেষ্টা বলে তদন্তে উঠে আসে।

বিআরটিসির জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মেজর মো. নিজাম উদ্দিন,পরিবহন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামসরেজমিনে তদন্তে নামেন। একই সঙ্গে পাবনা পুলিশ, এনএসআই এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা আলাদা অনুসন্ধান করেন।

তদন্তের মুখে পড়েই সংশ্লিষ্ট চালকেরা নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। তারা ডিজিএমের কাছে লিখিত ও ভিডিও বার্তায় ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। হেড অফিস থেকে তাদের বিরুদ্ধে কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তদন্ত-পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পাবনা বিআরটিসি ডিপোতে এখন নিয়মমাফিক কার্যক্রম চলছে বলে জানা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ