July 25, 2026, 9:13 pm
শিরনাম :
পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান

রাউজানে চিকদাইর হরিপদ বিশ্বাসের বাড়ীতে শ্রীশ্রী কার্ত্তিক পূজা অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

রাউজান উপজেলার চিকদাইর দক্ষিণ সর্তা হরিপদ বিশ্বাস বাড়ীতে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে শ্রীশ্রী কার্ত্তিক পূজা। দিনব্যাপী এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শত শত ভক্ত প্রার্থনা, পূজা ও ধর্মীয় আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

পূজার শুরুতে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হয় কার্ত্তিক পূজা শুভ অধিবাস, গঙ্গা আহ্বান ও পূজা অর্চনা। ধর্মীয় আলোচনা সভায় শ্রীশ্রী কার্ত্তিক পূজার তাৎপর্য, মহিমা ও এর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তুলে ধরা হয়, যা উপস্থিত ভক্তদের মননে গভীর প্রভাব ফেলে।

পূজা শেষে ভক্তদের মধ্যে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। এতে সকলের মাঝে সৃষ্টি হয় শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভক্তিভাব।

উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা হরিপদ বিশ্বাস, মুন্টু মল্লিক, নারায়ণ বিশ্বাস, রতন বিশ্বাস ও খোকন বিশ্বাস।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পা কুমার দাশ, অর্থ সম্পাদক রূপন বিশ্বাস, সোহেল দাশ, বাবু দাশ গুপ্ত (সাগর), প্রবীর মহাজন, অনিক দাশ গুপ্ত, শ্রীমান দাশ (শুভ), পাবেল চৌধুরী, রুবেল মজুমদার, নিলয় ভট্টাচার্য, সাগর দাশ গুপ্ত, দীপন বিশ্বাস, ধন মল্লিক, বাসু মল্লিক, সুমন মল্লিক, রাজু বিশ্বাস, প্রান্ত বিশ্বাস, সাজু বিশ্বাস, অনিক বিশ্বাস ও অলয় বিশ্বাস।

ভক্তদের সমাগম দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজারো নর-নারী ভক্তের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক ধর্মীয় মিলনমেলায়। সকলের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে এক শান্তিপূর্ণ ও পবিত্র পরিবেশ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি মানুষের মধ্যে ধর্মীয় সচেতনতা ও আধ্যাত্মিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আশা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ