October 30, 2026, 11:40 pm
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

বাংলাদেশ ব্যাংকে আর মিলবে না ৫ সেবা

ডেস্ক রিপোর্ট

বহুল কাঙ্ক্ষিত সঞ্চয়পত্র এবং প্রাইজবন্ড বিক্রিসহ সাধারণ গ্রাহকদের জন্য দেওয়া পাঁচটি সেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয়ে এই সেবাগুলো আর পাওয়া যাবে না। পর্যায়ক্রমে ঢাকার বাইরের অন্য বিভাগীয় কার্যালয়গুলোতেও এসব কার্যক্রম বন্ধ করা হবে।

যেসব সেবা বন্ধ হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে—সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড বিক্রি, গ্রাহকদের ছেঁড়া-ফাটা নোট বদলে দেওয়া, সরকারি চালান জমা নেওয়া এবং চালানের বিপরীতে ভাঙতি টাকা সরবরাহ করা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রাহকরা যাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নির্বিঘ্নে এসব সেবা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে তদারকি জোরদার করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের নির্দেশনার পর একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই সেবাগুলো বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যালয়কে আধুনিকায়ন, স্বয়ংক্রিয় ভল্ট স্থাপনসহ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি মতিঝিল অফিসের সার্ভারে জালিয়াতির মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র আত্মসাতের ঘটনা ঘটলেও সেবা বন্ধের সিদ্ধান্তটি শুধু সে কারণে নয়। এটি মূলত ব্যাংকের নিরাপত্তা নীতিমালার অংশ। ওই জালিয়াতির ঘটনায় ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং আরও ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে একটি মামলাও হয়েছে।

বর্তমানে মতিঝিল কার্যালয়ের ২৮টি কাউন্টারের মধ্যে ১২টি কাউন্টার বন্ধ হয়ে যাবে, যেগুলো এই পাঁচটি সেবা দিয়ে আসছিল। তবে বাকি ১৬টি কাউন্টারে ধাতব মুদ্রা বিনিময়, স্মারক মুদ্রা বিক্রি এবং অপ্রচলিত নোট সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মতো কিছু সেবা আপাতত চালু থাকবে। ভবিষ্যতে এই সেবাগুলোও পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছেন গভর্নর।

উল্লেখ্য, গ্রাহকদের কাছে আস্থা ও ভোগান্তিমুক্ত সেবার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ জনপ্রিয়। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে, যার প্রায় ৩০ শতাংশই বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। তবে এখন থেকে গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড কেনার জন্য সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদপ্তর বা পোস্ট অফিসে যেতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ