July 25, 2026, 4:57 pm
শিরনাম :
মাদার নদীর বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কবিরহাটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার

একরাতে ৩ বসতবাড়ি ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট

মো. ইসমাইলুল করিম, বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামায় উপজেলায় একরাতে তিন বসতঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার হিমছড়িপাড়ায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

বুধবার (০৮জুলাই) রাত দুইটার দিকে ডাকাতরা ওই তিন বসতঘরে হানা দিয়ে নগদ লক্ষাধিক টাকা, মোবাইল ফোন ও নতুন কাপড়চোপড় লুটে নেয়। শুধু তাই নয়, ডাকাতি শেষে ঘরে রক্ষিত রান্না করা ভাত-তরকারিও খেয়ে নির্বিঘে চলে যায় ডাকাতরা।স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী আহমদ হোসেন, ছৈয়দ আমিন ও গুরা পুতুর বসতঘরে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ডাকাত আতংক বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, রাতে পাহাড়ি এলাকা থেকে ১০ থেকে ১১ জনের একটি মুখোশ পরা সশস্ত্র ডাকাত দল হিমছড়ি পাড়ায় হানা দেয়। তারা প্রথমে ছৈয়দ আমিনের বাড়িতে প্রবেশ করে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে ঘরে থাকা রান্না করা ভাত-তরকারি খেয়ে সেখান থেকে বের হয়ে যায়। এরপর ডাকাতরা গুরা পুতুর বাড়িতে ঢুকে নগদ ৮ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন লুট করে। সেখানেও তারা রান্না করা খাবার খেয়ে নেয়। সবশেষে স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী আহমদ হোসেনের বাড়িতে চড়াও হয়। এ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একটি কক্ষে হাত বেঁধে আটকে রাখে। পরে ঘরে থাকা নগদ লক্ষাধিক টাকা, নতুন কাপড় চোপড়সহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী গৃহকর্তা আহমদ হোসেন বলেন, ডাকাতরা প্রথমে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা আমাকে বুকে লাথি মারে এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে। আমার স্ত্রীকে ধারালো দা দিয়ে মাথায় আঘাত করে আমার ছেলেকে চড়-থাপ্পড় মেরে নির্যাতন শুরু করলে জীবন বাঁচাতে ঘরে থাকা সব টাকা-পয়সা তাদের হাতে তুলে দিয়।এর আগে একই ইউনিয়নে স্থানীয় সাংবাদিক কায়ছার হামিদ ও ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের বাসভবনেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। একের পর এক এমন ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজিজ নগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন বলেন, বসতঘরে একের পর এক ডাকাতির সংঘটিত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ডাকাতির ঘটনা রোধে পুলিশ বাহিনীকে আরও ততপর হতে হবে।

এ বিষয়ে আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুর রহিম মুঠোফোনে প্রতিবেদক’কে বলেন, আমি বর্তমানে পারিবারিক কারণে ছুটিতে রয়েছি। আমার বাবা গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ